পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের পার্বত্য জেলা ডোডায় এক সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত্যু হলো এক সন্দেহভাজন যুবকের। পুলিশের দাবি, মধ্যরাতে পথ আটকানোয় ওই যুবক আচমকাই জওয়ানদের ওপর চড়াও হন এবং এক জওয়ানের সার্ভিস রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে ওই যুবক নিহত হন। এই ঘটনায় তিন জওয়ান গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত জওয়ানদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ডোডার জাই-গন্দোহ সড়কে এই ঘটনাটি ঘটে। এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধির খবর পেয়ে আগে থেকেই সেখানে ওত পেতে বসেছিলেন পুলিশের বিশেষ শাখার জওয়ানেরা।

পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ জাই-গন্দোহ রোডে টহলদারি চালানোর সময় এসওজি দল ওই সন্দেহভাজন যুবককে আটকায়। জওয়ানরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই তিনি আচমকা তাঁদের ওপর আক্রমণ করেন এবং এক জওয়ানের সার্ভিস রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান। পুলিশ আধিকারিক কথায়, "ধস্তাধস্তি চলাকালীন আত্মরক্ষার্থে এবং অস্ত্র রক্ষা করতে এক এসওজি জওয়ান গুলি চালাতে বাধ্য হন।

গুলিতে ওই যুবক গুরুতর জখম হন এবং পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যু হয়। এই জোরালো ধস্তাধস্তিতে আমাদের তিন পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।"

এই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার সাথে অন্য কোনো জঙ্গি গোষ্ঠী বা নাশকতামূলক চক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক ধর্মীয় প্রচারককে আটক করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার সাথে তাঁর সরাসরি কোনো সম্পর্ক বা আঁতাত রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পেছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্র কাজ করছিল কি না, তা জানতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।