পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক :দেশভাগের ভয়াবহ যন্ত্রণার কথা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বছরই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, ১৪ আগস্টকে ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবস’ হিসেবে পালন করার জন্য।
আরও পড়ুন:
সেইমতো এদিন দেশভাগের ভয়াবহতাকে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন তাঁদের প্রতি যাঁরা দেশভাগের সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণ হারিয়ে ছিলেন।
আরও পড়ুন:
ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘আজ বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে আমি তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করি যাঁরা দেশভাগের সময় প্রাণ দিয়েছিলেন।
আমাদের ইতিহাসের সেই বিভীষিকারসময়ে যাঁরা যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন তাঁদের সহনশীলতার প্রতি আমি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কতে চাই এবং একইসঙ্গে তাঁদের সহানুভূতিশীলতার প্রশংসা করি।’আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে লালকেল্লায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশের জনতার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের স্মরণে ১৪ আগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি দিবস’ হিসেবে পালিত হবে।
আরও পড়ুন:
এদিন একের পর এক ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘দেশভাগের বেদনা কখনও ভোলা যায় না। আমাদের লক্ষ লক্ষ ভাই-বোন গৃহহারা হয়েছিলেন, অনেকে প্রাণ হারিয়েছিলেন বিবেকহীন ঘৃণা ও সহিংসতার কারণে।
আরও পড়ুন:
দেশেবাসীর সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের স্মরণে ১৪ আগস্ট পালিত হবে ‘দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি দিবস’ হিসেবে।
দেশভাগের বিভীষিকা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দিক সামাজিক ভেদাভেদেন বিষ, অসম্প্রীতি ও বৈষম্যকে দূর করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে এবং শক্তিশালী করুক একতা, সামাজিক সম্প্রীতি ও ক্ষমতায়নের চেতনার যোশকে।আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও দেশভাগের সময় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ট্যুইটে রাজনাথ লেখেন, ‘দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবসে’, আমি সেই সমস্ত মানুষদের শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা দেশভাগের সময় প্রাণ হারিয়েছিলেন। দেশভাগের বেদনা ভুলতে না পেরেও যাঁরা নতুনকরে জীবন শুরু করেছিলেন তাঁদের সেলাম জানাই। এই দেশ দেশভাগের ভয়াবহতা কখনও ভুলবে না।
’আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে ২০০ বছরের ইংরেজ শাসন অবসানের পর ঘটেছিল দেশভাগ। সম্পূর্ণ আলাদা রাষ্ট্র হয় পাকিস্তান। সেইসময় বহু মানুষ গৃহহারা হয়েছিলেন। ১৫ অগস্ট দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ও পরের কয়েক মাস ধরে চলেছিল দেশভগের হিংসা। রক্তপাত, সম্পত্তির বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও রাজনৈতিক অচলবস্থার সাক্ষী ছিল ভারত।
আরও পড়ুন:
https://twitter.com/narendramodi/status/1426410192258830341?s=20&t=TTCT_3rAX4Rm19hDszy8Jg