প্রশাসনের নির্দেশ বেআইনি বলল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি পড়ুয়ারা ভর্তি হতে পারবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সে কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে। এবার তা নিয়ে শুক্রবার প্রতিক্রিয়া জানালেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁরা জানালেন, এই সিদ্ধান্ত ‘বেআইনি’। বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ, গবেষণার প্রকল্পগুলি ধাক্কা খেতে পারে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর পাল্টা শর্ত চাপিয়েছে। ছয়টি শর্ত দেওয়া হয়েছে। ছয়টি শর্ত মেনে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশি পড়ুয়াদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে তারা আবার নতুন শিক্ষাবর্ষে বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে পারবে। ‘স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিসিটর প্রোগ্রাম’-এর শংসাপত্র প্রত্যাহার করা হবে না।  ২২ মে বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়ে এই শংসাপত্র প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে আমেরিকার নিরাপত্তা সচিব ক্রিস্টি নোয়াম।

ট্রাম্পের প্রশাসন ছয়টি শর্ত রেখেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে। বিদেশি পড়ুয়াদের বিষয়ে নথিপত্র জমা করলে তারা আবার বিদেশ পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে পারবে।

কী কী নথি জমা করতে হবে কর্তৃপক্ষকে?

এক, বিদেশি পড়ুয়ারা গত পাঁচ বছরে ক্যাম্পাসের ভিতরে ও বাইরে ‘বেআইনি কার্যকলাপ’ জড়ালে, সেই নথি দিতে হবে।

দুই, তাঁরা গত পাঁচ বছরে ‘হিংসাত্মক কার্যকলাপ’-এ জড়িয়ে পড়লে সেই নথি দিতে হবে।

তিন, বিদেশি পড়ুয়ারা অন্য পড়ুয়া বা শিক্ষকদের ‘হুমকি’ দিলে সেই সংক্রান্ত নথি ট্রাম্প প্রশাসনকে দিতে হবে।

চার, ক্যাম্পাসের ভিতরে বা বাইরে যদি বিদেশি পড়ুয়ারা অন্যদের কখনও তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেন, তা হলে সেই নথি জমা করতে হবে।

পাঁচ, গত পাঁচ বছরে বিদেশি পড়ুয়ারা কখনও শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে সেই নথি দিতে হবে।

ছয়, গত পাঁচ বছরে বিদেশি পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখালে তার অডিয়ো এবং ভিডিয়ো ট্রাম্প প্রশাসনকে দিতে হবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে। ভিসিটর প্রোগ্রাম’-এর শংসাপত্র বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।