পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: পুলওয়ামা হামলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবমাননাকর পোস্ট করেছিল বেঙ্গালুরুর এক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। ২০১৯ সালের সেই মামলায় ফইজ রাশিদ নামে ওই যুবককে ৫ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত।
আরও পড়ুন:
তবে ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে দেশ দ্রোহহিতার কোনও অভিযোগ আনা হয়নি। এনআইএ আদালতে ওই রায় দেন বিচারক গঙ্গাধর সিএম। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ের উপরে যখন ওই হামলা হয় তখন ফাইয়াজ রশিদ নামে ওই ছাত্রের বয়স ছিল ১৯ বছর। হামলার পরই সে ফেসবুকে ওই হামলা নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করে।
অভিযোগ, হামলা নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছিল ফাইয়াজ। ওই হামলায় ৪০ সিআরপিএফ জওয়ানের প্রাণহানি ঘটে। ওই পোস্টের পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত সাড়ে বছর সে জেলেই ছিল।আরও পড়ুন:
আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, একাধিক পোস্ট করে ওই হামলাকে সমর্থন করেছে ফাইয়াজ। এতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্ধেষ সৃষ্টি করেছে।
এতে সামাজিক সুস্থিতি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।আরও পড়ুন:
ফাইয়াজের আইনজীবী সওয়াল করেন অভিযুক্তের বয়স কম। তার আগে কোনও অপরাধের ইতিহাস নেই। তাই তাকে মুক্তি দেওয়া উচিত। ওই সওয়ালের পর বিচারক বলেন, ফাইয়াজ যা করেছে তার ভেবেচিন্তেই করছে। অভিযুক্ত ফেসবুকের সব পোস্টেই পুলওয়ামা হামলা নিয়ে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানায় যে, পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনার উপর জঙ্গি হামলা মব লিঞ্চিং এবং রাম মন্দিরে আন্দোলনের জন্য প্রতিশোধের ট্রেলার বলে ফেসবুকে বর্ণনা করেছিল বেঙ্গালুরুর ওই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। এতে ধর্মের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করতে পারে, এই অভিযোগে ফইজকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় পুলিশ পড়ুয়ার মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছিল।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় ৭৮টি বাসে ২ হাজার ৫০০ জন আধাসেনা জওয়ানদের একটি কনভয় শ্রীনগর হাইওয়ে দিকে যাচ্ছিল। বেলা আড়াইটা নাগাদ আরডিএক্স ভর্তি একটি একটি গাড়ি সেনা কনভয়ের মধ্যে ঢুকে যায়। এবং সেনা বাসে ধাক্কা মারার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়। এই ঘটনায় আধাসেনার প্রায় ৪০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন।