০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বর্ধমানে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, জেলা কার্যালয়ের গেটে তালা দিয়ে বিক্ষোভ

এস জে আব্বাস, বর্ধমান: প্রতিষ্ঠা দিবসেই বিজেপির বর্ধমান জেলা পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দলেরই একাংশের বিক্ষোভ দেখায়। একে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় বৃহস্পতিবার। পরে দলেরই এক গোষ্ঠীর নেতা, কর্মীরা পার্টি অফিসের গেটের তালা ভেঙ্গে গেট খুলে দেয়। এইসময় দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা,পরে রীতিমত হাতাহাতি তে জড়িয়ে পড়ে দু পক্ষ।

 

আরও পড়ুন: জবলপুরের সিহোরায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ: উত্তেজনা প্রশমিত করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ পুলিশের

জেলা যুব সভাপতি পিন্টু সাম অভিযোগ করেছেন, সদ্য বহিষ্কৃত শ্যামল রায়ের গোষ্ঠীর ছেলেরা বিজেপির জেলা কার্যালয়ের মূল গেটে তালা লাগিয়ে দেয় এদিন সকালে। এদিন আমাদের দলের পক্ষ থেকে কার্জন গেটে জলসত্র কর্মসূচি ছিল। সেখানেই আমাদের দলের নেতা কর্মীরা হাজির ছিল। আমরা খবর পেয়ে পার্টি অফিসে এসে প্রথমে গেটের তালা খুলে দেবার জন্য বলি ওদের। না শুনলে আমাদের কর্মীরাই গেটের তালা ভেঙে দেয়। তিনি আরও জানিয়েছেন, যারা পার্টির জেলা কার্যালয়ে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তারা দলের কেউ না। তৃণমূলের কাছে টাকা খেয়ে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে বড় ধাক্কা, গোর্খাল্যান্ডের দাবি সরিয়ে ‘উন্নয়নের’ লক্ষ্যে তৃণমূলে নাম লেখালেন কার্শিয়ংয়ের বিজেপি বিধায়ক

অন্যদিকে, সদ্য বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা শ্যামল রায় জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনোভাবেই যোগ নেই। তিনি এদিন ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় আছেন। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে দলের কর্মীদেরই যদি প্রবেশাধিকার না থাকে, তাহলে বিক্ষোভ তো দেখাবেই তারা। এটা সম্পূর্ন বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
অন্যদিকে, এপ্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্যে, যারা বিক্ষোভ করেছে ওরা বর্ধমানের নামকরা বিজেপি কর্মী। এটা সবাই জানে। ওরা লজ্জা ঢাকতে অন্যদের উপর দায় চাপাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা, ছাব্বিশের আগে পাহাড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পশ্চিম এশিয়ায় চরম উত্তেজনা: ভারতে বাতিল ২৫০টিরও বেশি বিমান, বিপাকে হাজারো যাত্রী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বর্ধমানে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, জেলা কার্যালয়ের গেটে তালা দিয়ে বিক্ষোভ

আপডেট : ৬ এপ্রিল ২০২৩, বৃহস্পতিবার

এস জে আব্বাস, বর্ধমান: প্রতিষ্ঠা দিবসেই বিজেপির বর্ধমান জেলা পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দলেরই একাংশের বিক্ষোভ দেখায়। একে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় বৃহস্পতিবার। পরে দলেরই এক গোষ্ঠীর নেতা, কর্মীরা পার্টি অফিসের গেটের তালা ভেঙ্গে গেট খুলে দেয়। এইসময় দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা,পরে রীতিমত হাতাহাতি তে জড়িয়ে পড়ে দু পক্ষ।

 

আরও পড়ুন: জবলপুরের সিহোরায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ: উত্তেজনা প্রশমিত করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ পুলিশের

জেলা যুব সভাপতি পিন্টু সাম অভিযোগ করেছেন, সদ্য বহিষ্কৃত শ্যামল রায়ের গোষ্ঠীর ছেলেরা বিজেপির জেলা কার্যালয়ের মূল গেটে তালা লাগিয়ে দেয় এদিন সকালে। এদিন আমাদের দলের পক্ষ থেকে কার্জন গেটে জলসত্র কর্মসূচি ছিল। সেখানেই আমাদের দলের নেতা কর্মীরা হাজির ছিল। আমরা খবর পেয়ে পার্টি অফিসে এসে প্রথমে গেটের তালা খুলে দেবার জন্য বলি ওদের। না শুনলে আমাদের কর্মীরাই গেটের তালা ভেঙে দেয়। তিনি আরও জানিয়েছেন, যারা পার্টির জেলা কার্যালয়ে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তারা দলের কেউ না। তৃণমূলের কাছে টাকা খেয়ে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে বড় ধাক্কা, গোর্খাল্যান্ডের দাবি সরিয়ে ‘উন্নয়নের’ লক্ষ্যে তৃণমূলে নাম লেখালেন কার্শিয়ংয়ের বিজেপি বিধায়ক

অন্যদিকে, সদ্য বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা শ্যামল রায় জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনোভাবেই যোগ নেই। তিনি এদিন ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় আছেন। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে দলের কর্মীদেরই যদি প্রবেশাধিকার না থাকে, তাহলে বিক্ষোভ তো দেখাবেই তারা। এটা সম্পূর্ন বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
অন্যদিকে, এপ্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্যে, যারা বিক্ষোভ করেছে ওরা বর্ধমানের নামকরা বিজেপি কর্মী। এটা সবাই জানে। ওরা লজ্জা ঢাকতে অন্যদের উপর দায় চাপাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা, ছাব্বিশের আগে পাহাড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ