০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কর্মসূচিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের, ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া। শনিবার একটি বেসরকারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস বা এডিআর কমিশনের পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে।

এডিআর-এর দাবি, এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া সংবিধানের ১৪, ১৯, ২১, ৩২৫ ও ৩২৬ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের ‘প্রতিনিধিত্ব আইন’ ও ১৯৬০ সালের ভোটার নথিভূক্তকরণ নিয়মের পরিপন্থী। জন্মের শংসাপত্রের জমা দেওয়ার মাধ্যমে ভোটারদের নাগরিকত্ব প্রমাণের দায়িত্ব তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা সাধারণ ও প্রান্তিক জনগণের অধিকারে হস্তক্ষেপ। ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম নেই, তাদেরকে আলাদাভাবে প্রমাণপত্র দিতে হবে।

২০০৪ সালের পরে জন্ম নেওয়া নাগরিকদের ক্ষেত্রে, শুধু নিজের নয়, পিতা-মাতার নথিও জমা দিতে বলা হয়েছে। অভিভাবকের কেউ যদি বিদেশি হন, তাহলে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি চাওয়া হচ্ছে। এডিআর এর আশঙ্কা এই নিয়মগুলো বাস্তবসম্মত নয়, বিশেষ করে বিহারের মতো রাজ্যে যেখানে বহু মানুষের কাছে জন্মের শংসাপত্র বা প্রয়োজনীয় নথি নেই। এতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি প্রকৃত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। মামলাটি দায়ের করেছেন সুপ্রিমকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।

আরও পড়ুন: বিএলও-র আত্মহত্যায় নদিয়ার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

 

আরও পড়ুন: SIR নিয়ে নতুন মামলায় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন: নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে কি গণ্য হবে আধার! কি বলছে নির্বাচন কমিশন
ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলা বললে যদি বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়, তবে হিন্দি বা উর্দু বললে পাকিস্তানে পাঠান! বাংলাদেশে পুশব্যাক নিয়ে সংসদের সরব শতাব্দী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কর্মসূচিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের, ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ

আপডেট : ৫ জুলাই ২০২৫, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া। শনিবার একটি বেসরকারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস বা এডিআর কমিশনের পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে।

এডিআর-এর দাবি, এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া সংবিধানের ১৪, ১৯, ২১, ৩২৫ ও ৩২৬ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের ‘প্রতিনিধিত্ব আইন’ ও ১৯৬০ সালের ভোটার নথিভূক্তকরণ নিয়মের পরিপন্থী। জন্মের শংসাপত্রের জমা দেওয়ার মাধ্যমে ভোটারদের নাগরিকত্ব প্রমাণের দায়িত্ব তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা সাধারণ ও প্রান্তিক জনগণের অধিকারে হস্তক্ষেপ। ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম নেই, তাদেরকে আলাদাভাবে প্রমাণপত্র দিতে হবে।

২০০৪ সালের পরে জন্ম নেওয়া নাগরিকদের ক্ষেত্রে, শুধু নিজের নয়, পিতা-মাতার নথিও জমা দিতে বলা হয়েছে। অভিভাবকের কেউ যদি বিদেশি হন, তাহলে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি চাওয়া হচ্ছে। এডিআর এর আশঙ্কা এই নিয়মগুলো বাস্তবসম্মত নয়, বিশেষ করে বিহারের মতো রাজ্যে যেখানে বহু মানুষের কাছে জন্মের শংসাপত্র বা প্রয়োজনীয় নথি নেই। এতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি প্রকৃত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। মামলাটি দায়ের করেছেন সুপ্রিমকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।

আরও পড়ুন: বিএলও-র আত্মহত্যায় নদিয়ার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

 

আরও পড়ুন: SIR নিয়ে নতুন মামলায় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন: নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে কি গণ্য হবে আধার! কি বলছে নির্বাচন কমিশন