পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: নিট দুর্নীতি ও প্রশ্নফাঁস বিরোধী প্রথম আন্দোলনেই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সমস্ত দাবি মেনে নিয়েছে, যার ফলস্বরূপ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হয়েছে এবং আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদানের প্রতিশ্রুতিও পূরণ করা হয়েছে। এই সাফল্যের পর দলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নির্ধারণ করার জন্য মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি শম্ভাজিনগরে দুই দিনের এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন সিজেপি নেতৃত্ব। সেই বৈঠকেই দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
দিল্লির গণ্ডি পেরিয়ে এবার সারা দেশজুড়ে নিজেদের সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনা করছে সিজেপি। আপাতত তাদের মূল নজরে রয়েছে ঝাড়খণ্ড রাজ্য। দীর্ঘদিন ধরে ওই রাজ্যের পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং স্টাফ সিলেকশনের বিভিন্ন পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে স্থানীয় পড়ুয়ারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। শম্ভাজিনগরের বৈঠকে অভিজিৎ উল্লেখ করেছেন যে, দেশের যে কোনো প্রান্তে পড়ুয়ারা নিজেদের অধিকারের দাবিতে সরব হলে তাঁদের দল সর্বদা পাশে থাকবে।
প্রয়োজনে তাঁরা ঝাড়খণ্ডে গিয়েও সেখানকার ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।আরও পড়ুন:
প্রথম আন্দোলনের অভাবনীয় সাফল্যের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে, ককরোচ জনতা পার্টি হয়তো এবার সরাসরি রাজনীতির ময়দানে পা রাখতে চলেছে। তবে সেই সম্ভাবনা আপাতত উড়িয়ে দিয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সংবাদমাধ্যম তাঁদের রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখার বিষয়ে আগ্রহী হলেও, তাঁরা এখনই সরাসরি রাজনীতিতে অবতীর্ণ হচ্ছেন না। ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আপাতত দেশজুড়ে একটি প্রেশার গ্রুপ বা চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবেই সিজেপি তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চায়।