পুবের কলম প্রতিবেদক: ডেঙ্গি সচেতনতায় জোর দেওয়ার জন্য রাজ্যের সমস্ত সিএমওএইচ’দের নির্দেশ দিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ইতিমধ্যে জেলা-রাজ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য, বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। বর্ষায় ডেঙ্গি নিত্য উদাহরণ হলেও অনেকেই এখনও সজাগ নন। তাই সচেতনতা বাড়াতে স্বাস্থ্য ভবনে সব জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক হয়।
আরও পড়ুন:
বিশেষ করে জমা জলেই ডেঙ্গির মশার আঁতুরঘর। তাই কোথাও জল জমতে দেওয়া যাবে না। ছাদ থেকে শুরু করে ঘরের আনাচে কানাচে, নর্দমা, বাড়ির চারিধার পরিষ্কার রাখতে নির্দেশ। তবে ঘরে মশারি টানানোর কথা প্রতিবারই এ সময় মনে করিয়ে দেয় স্বাস্থ্য দফতর। এ নিয়ে মশারি সহ রাজপথে নেমে সচেতনা অভিযান করতে অতীতে দেখা গিয়েছে পুরসভাগুলিকে।
বাইশ সালে পুজোর আগে এবং পরে পড়ে থাকা বাঁশের ফাঁক ফোকরেও জল জমেও আতঙ্ক তৈরি করেছিল। যা মূলত ডেঙ্গির মশার বংশবৃদ্ধির জন্য উত্তম জায়গা।আরও পড়ুন:
পাশাপাশি খেয়াল রাখবেন, আপনার শরীর কেমন আছে। কী কী উপস্বর্গ দেখা দিয়েছে ? যদি ডেঙ্গির উপস্বর্গের কোনও বহির্প্রকাশ পান, তাহলে দেরি না করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অবশ্যই গিয়ে যোগাযোগ করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডেঙ্গি টেস্ট করান। মনে রাখবেন রোগ যতদ্রুত ধরা পড়বে, আপনার সুস্থ হয়ে ওঠার প্রবণতাও তত বাড়বে। শহরের তুলনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন গ্রামের মানুষরা। সবথেকে খারাপ অবস্থা আমডাঙা ব্লকের। রাজ্যে ডেঙ্গির দাপট, ১২ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৭ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের। এহেন পরিস্থিতিতে সচেতনতা বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ নজর স্বাস্থ্য দফতরের।