পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এবার ‘ডবল লেয়ারআইডেন্টিফিকেশন’ বা দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার হুগলি জেলাশাসক দপ্তরে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই নতুন নির্দেশিকা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি, চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার সুনীলকুমার যাদব, হুগলি গ্রামীণের পুলিশ সুপার সানি রাজ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকরা।
কমিশন জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রে জালিয়াতি বা ভুয়ো ভোট রুখতে এবার ভোটারদের দু’বার পরিচয় যাচাই করা হবে। প্রথম স্তরে বুথের প্রবেশ মুখেই থাকবেন বিএলও বা ভোটার অ্যাসিস্ট্যান্ট টিম।
শান্তিপূর্ণ ভোট করতে প্রতিটি বুথেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও নজরদারিতে থাকছে আধুনিক প্রযুক্তি। সূত্রের খবর, বুথের ভেতর এবং বাইরে রাখা হবে ওয়েবকাস্টিং ক্যামেরা, যার মাধ্যমে সরাসরি কমিশনের নজরদারি চলবে। কোনো ভোটার বুথের ভেতর মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। স্ট্যাটিক সার্ভিলেন্স টিম প্রতিটি মুহূর্তের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে।
হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার সানি রাজ জানান, সিঙ্গুর ও চণ্ডীতলা এলাকায় বেআইনি মদের কারবার রুখতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। গত এক মাসে ওই এলাকা থেকে প্রায় ৮ কোটি টাকার মদ উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও গোটা গ্রামীণ এলাকায় ৪১টি নাকা চেকিং পয়েন্ট তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, চন্দননগর এলাকায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার গাঁজা এবং চুঁচুড়া ফেরিঘাট থেকে প্রায় ১ লক্ষ টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানান কমিশনার সুনীলকুমার যাদব।