পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মালদহের কালিয়াচক কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় পরিস্থিতির মধ্যেই জরুরি বৈঠকে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, বৈঠকে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর ক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ শীর্ষ আধিকারিকরা।
দিনভর নাটকীয় পরিস্থিতির পর গভীর রাতে কালিয়াচক থেকে ৭ জন বিচারককে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় কেন এত দেরিতে পদক্ষেপ করা হল, তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলেন নির্বাচন কমিশনার।
জানা গিয়েছে, বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—বৃহস্পতিবার রাত ১২টার মধ্যেই দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে মালদহের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধু কালিয়াচক নয়, বৈঠকে উঠে আসে আরও একাধিক বিষয়। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নকে কেন্দ্র করে হওয়া গোলমাল এবং সিইও দপ্তরের সামনে টানা দু’দিনের অশান্তির প্রসঙ্গও তোলা হয়। প্রশ্ন ওঠে, নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এত ভিড় জমায়েত হতে পারল।
এদিকে, এই ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই কড়া অবস্থান নিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মালদহের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে। পাশাপাশি বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।