পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ সমাজ যতই আধুনিক হোক, যতই স্লোগান উঠুক নারী স্বাধীনতার, তাও আজও দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করেই মেয়েদের রাখতে চায় একশ্রেণির মানুষ। প্রশাসনের অগোচরে এখনও চলেছে ভ্রুণহত্যা থেকে নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ।
আরও পড়ুন:
তবে নিজের জেদ ও অধ্যবসায়ের বলে বহু নারী আজ বিভিন্ন পেশায় সুনামের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত। যেমন উদাহরণ আহমেদ কুট্টির পরিবার।
আরও পড়ুন:
সেখানে কন্যা সন্তানকে সম্মানের সঙ্গে বড় করে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন আহমেদ কুট্টি ও জাইনা আহমেদ। আহমেদ কুট্টি ও জাইনা আহমেদের ছয় কন্যা সন্তানই চিকিৎসক। কেরলে কোঝিকোড়ের নান্দাপুরমের এই পরিবারটি সমাজের চোখে আজ এক দৃষ্টান্ত।
আরও পড়ুন:
জাইনা আহমেদ ও আহমেদ কুট্টির ছয় মেয়ে। আর ৬ জন কন্যাসন্তানকে শুধু পরম স্নেহে মানুষ করে তোলাই নয়, সমাজে চিকিৎসক করে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছেন তারা। এমনকী ছয় চিকিৎসক মেয়েরই বিবাহ দিয়েছেন ছয় জন চিকিৎসকের সঙ্গে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
চার কন্যার নাম যথাক্রমে ফতিমা আহমেদ (৩৯) হজরা আহমেদ (৩৩), আয়েশা আহমেদ (৩০), ও ফইজা আহমেদ ইতিমধ্যেই চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। তবে রেহানা আহমেদ (২৩) এমবিবিএস এর ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী। বর্তমান তিনি চেন্নাইতে পড়াশোনা করছে। সব থেকে ছোট মেয়ে আমিরা আহমেদ ম্যাঙ্গালোরে এমবিবিএস -এর প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
আরও পড়ুন:
ছয় কন্যা সন্তানের গর্বিত মা জাইনা আহমেদ-এর বিবাহ হয় খুব কম বয়সেই। এর পর স্বামী আহমেদ কুট্টি' র সঙ্গে তিনি চলে আসেন চেন্নাইতে। সেখানেই তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। এর পর তারা কাতার পাড়ি দেন।
আরও পড়ুন:
তবে কন্যাদের এই সাফল্য দেখে যেতে পারেননি গর্বিত বাবা আহমেদ কুট্টি। ইন্তেকাল হয় তাঁর।
আরও পড়ুন:
জাইনা আহমেদ জানিয়েছেন, কন্যাদের জন্মের পর থেকে আমাদের দুজনের ইচ্ছে ছিল সন্তানরা মানুষের মতো মানুষ হোক।
সেইমতো শিক্ষা দিয়েই তাদের বড় করে তুলি। সমাজে চিকিৎসকদের ভূমিকা কারুর অজানা নয়। আমরা দুজনেই চেয়েছিলাম, মানুষের উপকারে তারা চিকিৎসা পেশাকেই আপন করে নিক। ইতিমধ্যেই চার কন্যা প্রতিষ্ঠিত। আর দুজন এখনও শিক্ষার্থী। তবে আমার কন্যারা আমাদের গর্ব। আমি চাই তারা সুনাম ও দায়িত্বের সঙ্গে মানুষের সেবায় ব্রতী হোক।আরও পড়ুন:
আরও খবর পড়ুন :