০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজ্যগুলিতে হজ কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রককে উদ্যোগী হতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রককে সব রাজ্যে হজ কমিটি নেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরোদস্তুর হজ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি নরসিমহা এবং বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালার বেঞ্চ হজ কমিটি আইন ২০০২-এর অন্তর্গত কেন্দ্রীয় হজ কমিটি এবং বিভিন্ন রাজ্যে হজ কমিটি গঠন সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল।

কেন্দ্রীয় হজ কমিটি গঠন হজ কমিটি আইনের ৩ নং ধারার অন্তর্ভুক্ত, তেমনি রাজ্যগুলির হজ কমিটি গঠন হজ কমিটি আইনের ১৭নং ধারার অন্তর্গত। সোমবার অতিরক্তি সলিসিটার জেনারেল কে এম নটরাজ আদালতকে বলেন, কেন্দ্রীয় হজ কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্যগুলির মধ্যে শুধু ওড়িশায় হজ কমিটি গঠন হয়নি। কিন্তু আবেদনকারীর তরফে এই মামলায় আদালতকে জানানো হয় যে কেন্দ্রীয় হজ কমিটি গঠিত হয়েছে বটে কিন্তু এদিন পর্যন্ত কমিটির বিভিন্ন পদ খালি পড়ে আছে। এতে নটরাজ বলেন, তিনি বিষয়টা নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলব। যাতে সমস্ত খালি পদে নিয়োগ হয়, তিনি সেই চেষ্টা করবেন।

২০২২ সালের আগস্ট মাসে আদালত রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছিল যে, তাদের রাজ্যে হজ কমিটি গঠন হয়েছে কিনা সেটা হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাতে। আদালত এ নির্দেশও দিয়েছিল যদি হজ কমিটি গঠন হয়ে তাকে, তাহলে কমিটির সদস্যদের নামও জানাতে হবে সুপ্রিম কোর্টকে।

পরে সুপ্রিম কোর্ট চারটি রাজ্যকে হজ কমিটি গড়ার জন্য আরও সময় দিয়েছিল। আদালতে যে আবেদন দায়ের করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, বিবাদী রাজ্যগুলি ২০০২ সালের হজ কমিটি আইনের যথাযথ পালন না করে বিধি মেনে হজ কমিটি গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই মামলার আগের শুনানির দিনে আদালতকে বাদীর তরফে বলা হয়েছিল ২০১৯ সাল থেকে ভারতে সক্রিয় হজ কমিটি নেই।

অন্যান্য রাজ্যগুলি হজ কমিটি গঠনের জন্য সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছে। কিংবা গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রত্যেক রাজ্যেই কোনও কমিটির অস্তিত্ব নেই। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে ১৯টি রাজ্যের মধ্যে মাত্র একটি রাজ্যে সক্রিয় হজ কমিটি ছিল।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বীরভূমে ‘SIR’ আতঙ্ক: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তকমা, মানসিক অবসাদে মৃত্যু যুবকের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্যগুলিতে হজ কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রককে উদ্যোগী হতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৩, বুধবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রককে সব রাজ্যে হজ কমিটি নেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরোদস্তুর হজ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি নরসিমহা এবং বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালার বেঞ্চ হজ কমিটি আইন ২০০২-এর অন্তর্গত কেন্দ্রীয় হজ কমিটি এবং বিভিন্ন রাজ্যে হজ কমিটি গঠন সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল।

কেন্দ্রীয় হজ কমিটি গঠন হজ কমিটি আইনের ৩ নং ধারার অন্তর্ভুক্ত, তেমনি রাজ্যগুলির হজ কমিটি গঠন হজ কমিটি আইনের ১৭নং ধারার অন্তর্গত। সোমবার অতিরক্তি সলিসিটার জেনারেল কে এম নটরাজ আদালতকে বলেন, কেন্দ্রীয় হজ কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্যগুলির মধ্যে শুধু ওড়িশায় হজ কমিটি গঠন হয়নি। কিন্তু আবেদনকারীর তরফে এই মামলায় আদালতকে জানানো হয় যে কেন্দ্রীয় হজ কমিটি গঠিত হয়েছে বটে কিন্তু এদিন পর্যন্ত কমিটির বিভিন্ন পদ খালি পড়ে আছে। এতে নটরাজ বলেন, তিনি বিষয়টা নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলব। যাতে সমস্ত খালি পদে নিয়োগ হয়, তিনি সেই চেষ্টা করবেন।

২০২২ সালের আগস্ট মাসে আদালত রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছিল যে, তাদের রাজ্যে হজ কমিটি গঠন হয়েছে কিনা সেটা হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাতে। আদালত এ নির্দেশও দিয়েছিল যদি হজ কমিটি গঠন হয়ে তাকে, তাহলে কমিটির সদস্যদের নামও জানাতে হবে সুপ্রিম কোর্টকে।

পরে সুপ্রিম কোর্ট চারটি রাজ্যকে হজ কমিটি গড়ার জন্য আরও সময় দিয়েছিল। আদালতে যে আবেদন দায়ের করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, বিবাদী রাজ্যগুলি ২০০২ সালের হজ কমিটি আইনের যথাযথ পালন না করে বিধি মেনে হজ কমিটি গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই মামলার আগের শুনানির দিনে আদালতকে বাদীর তরফে বলা হয়েছিল ২০১৯ সাল থেকে ভারতে সক্রিয় হজ কমিটি নেই।

অন্যান্য রাজ্যগুলি হজ কমিটি গঠনের জন্য সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছে। কিংবা গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে প্রায় প্রত্যেক রাজ্যেই কোনও কমিটির অস্তিত্ব নেই। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে ১৯টি রাজ্যের মধ্যে মাত্র একটি রাজ্যে সক্রিয় হজ কমিটি ছিল।