জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে আজ, বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাণিজ্য, ভিসা নীতি, শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেওয়ায় এই বৈঠককে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।
আরও পড়ুন:
স্লোভাকিয়া সফর শেষ করে মঙ্গলবার ফের ফ্রান্সে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
ফ্রান্সের ইভিয়ানে আয়োজিত দু’দিনব্যাপী জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ইভিয়ানে পৌঁছে দুই রাষ্ট্রনেতাকে করমর্দন করতে এবং কিছুক্ষণ সৌজন্য আলাপচারিতায় অংশ নিতে দেখা যায়।আরও পড়ুন:
সম্প্রতি মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু, আমদানি-রফতানিতে শুল্কনীতি এবং অন্যান্য কূটনৈতিক ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কিছু মতবিরোধ সামনে এসেছে।
সেই আবহে মোদি-ট্রাম্প বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।আরও পড়ুন:
বর্তমানে ইউরোপ সফরে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ফ্রান্স সফরের পর তিনি স্লোভাকিয়ায় গিয়ে সেখানকার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠক করেন। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন:
স্লোভাকিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেশটির সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ প্রদান করা হয়। ব্রাতিস্লাভায় এক অনুষ্ঠানে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনির হাত থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
এই নিয়ে মোট ৩৩টি আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হলেন নরেন্দ্র মোদি। সম্মান গ্রহণের পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ব্রাতিস্লাভায় ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ পেয়ে আমি সম্মানিত। স্লোভাকিয়ার জনগণ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এই সম্মান ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতি উৎসর্গ করছি এবং ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবেই একে দেখছি।”
আরও পড়ুন:
এদিকে, জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।