দেবশ্রী মজুমদার, শান্তিনিকেতন: দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ক্রমতালিকার মধ‍্যে এনআইআরএফ  বা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল Ranking ফ্রেমওয়ার্ক তালিকায় একধাক্কায়   ২৮ ধাপ নেমে  ৯৭তম স্থানে  বিশ্বভারতী। শুধু তাই নয়, সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ‍্যেও চোদ্দ ধাপ নেমে চৌষট্টিতম স্থানে বিশ্বভারতী।   আর তাতেই আক্ষেপ বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা সহ অধ্যাপক ও অধ্যাপিকাদের। আক্ষেপ  ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর সহ অন‍্যান‍্য আশ্রমিক ও প্রাক্তনীদের।

সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন, এটা হওয়ার ছিল। বিশ্বভারতীতে এখন পড়াশোনা বাদ দিয়ে শুধু রাজনীতি হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার মানের অবনমন হচ্ছে। এর জন্য দায়ী উপাচার্য।

 

 বিশ্বভারতীতে  উন্নতমানের পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার মান সহ অন্যান্য দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়েছে। তাই রাংঙ্ক কমছে। আজ সাতানব্বইয়ে। 

এর জন্য অনেকেই  দায়ী করছেন বিশ্বভারতী বর্তমান কর্তৃপক্ষ ও উপাচার্যকে।

  রাজ্যের দুই বিশ্ববিদ্যালয় কলকাতা, যাদবপুর ইউনিভার্সিটি "এন.আই.আর.এফ" তালিকাভুক্ততে চতুর্থ  ও অষ্টম  স্থান অধিকার করেছে। প্রসঙ্গত,  ২০১৬ সালে  ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য থাকাকালীন বিশ্বভারতী NIRF  তালিকায় একাদশ স্থানে ছিল। কুড়ি সালেও   পঞ্চাশ Rank ছিল।  কিন্ত দিন দিন এই Rank থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে বিশ্বভারতী। 

অনেকেই বলছেন, আইনি মামলা মোকদ্দমাতে অর্থ অপচয় করে যাচ্ছে। পঠন পাঠন বিষয় বস্তুর দিকে কোনও ভূমিকা নেই তাই এই ধরনের লজ্জাজনক  Rank।