০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বিমান’দা পিছনে কেন সামনে আসুন’, নিজের চেয়ার এগিয়ে দিয়ে, রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ফের সৌজন্য প্রকাশ মমতার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রীর সৌজন্যর কথা কারোর অজানা নয়। রাজনৈতিক ময়দানে সম্পর্কও যাই থাকুক না কেনও সৌজন্য দেখাতে কখনই ভোলেন না তিনি। তারই এক ঝলক দেখা গেল রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল ড. সিভি আনন্দ বোসের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এক অনন্য নজির গড়ে তুললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

আরও পড়ুন: রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও মমতার ‘যুবসাথী’ আবেদন শুরু, অফলাইনের চাপ কমাতে নবান্নের উদ্যোগ

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বরা, সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। নতুন রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মন্ত্রিসভার সদস্য-সহ উপস্থিত সকলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছিলেন। কুশল বিনিময় করছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। সেই সময় হঠাৎ বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বিমান বসুকে দেখতে পায় তিনি। সাধারণত তিনি অতিথিদের জন্য রাখা চেয়ারের দ্বিতীয় সারিতে বসে ছিলেন। বর্ষীয়ান নেতাকে দেখেই তাঁর কাছে এগিয়ে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বিমান দা কেমন আছেন, পিছনে কেন, সামনে আসুন’, যেমন কথা তেমন কাজ। সামনে আসুন বলেই হাত ধরে মঞ্চের সামনে নিয়ে আসেন তাঁকে। সঙ্গে এগিয়ে দেন নিজের চেয়ারও। বেশ কিছুক্ষণ কথবকথনও হয় দু’ই জনের মধ্যে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মমতার, তারেক রহমানকে পাঠালেন ফুল-মিষ্টি

উল্লেখ্য, বুধবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব৷ এদিনের অনুষ্ঠানে সম্ভবত বিমান বসুই ছিলেন সব থেকে বর্ষীয়ান নেতা। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপি ও কংগ্রেসের কাউকে দেখা যায়নি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নামে চেয়ার রাখা ছিল। ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসনও। তাঁরা কেউই যাননি শপথ অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিমান বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর শরীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন, এবং তাঁর সুস্থতার দ্রুত কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তৎপর মমতা, ভবানীপুরে বিএলএ-দের নিয়ে তৃতীয়বার বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বিজেপি ২ কোটি মুসলমানের নাম বাদ দিতে চাই, কিন্তু তারা সফল হবে না: হুঙ্কার অনুব্রত মণ্ডলের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘বিমান’দা পিছনে কেন সামনে আসুন’, নিজের চেয়ার এগিয়ে দিয়ে, রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ফের সৌজন্য প্রকাশ মমতার

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রীর সৌজন্যর কথা কারোর অজানা নয়। রাজনৈতিক ময়দানে সম্পর্কও যাই থাকুক না কেনও সৌজন্য দেখাতে কখনই ভোলেন না তিনি। তারই এক ঝলক দেখা গেল রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল ড. সিভি আনন্দ বোসের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এক অনন্য নজির গড়ে তুললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

আরও পড়ুন: রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও মমতার ‘যুবসাথী’ আবেদন শুরু, অফলাইনের চাপ কমাতে নবান্নের উদ্যোগ

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বরা, সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। নতুন রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মন্ত্রিসভার সদস্য-সহ উপস্থিত সকলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছিলেন। কুশল বিনিময় করছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। সেই সময় হঠাৎ বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বিমান বসুকে দেখতে পায় তিনি। সাধারণত তিনি অতিথিদের জন্য রাখা চেয়ারের দ্বিতীয় সারিতে বসে ছিলেন। বর্ষীয়ান নেতাকে দেখেই তাঁর কাছে এগিয়ে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বিমান দা কেমন আছেন, পিছনে কেন, সামনে আসুন’, যেমন কথা তেমন কাজ। সামনে আসুন বলেই হাত ধরে মঞ্চের সামনে নিয়ে আসেন তাঁকে। সঙ্গে এগিয়ে দেন নিজের চেয়ারও। বেশ কিছুক্ষণ কথবকথনও হয় দু’ই জনের মধ্যে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মমতার, তারেক রহমানকে পাঠালেন ফুল-মিষ্টি

উল্লেখ্য, বুধবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব৷ এদিনের অনুষ্ঠানে সম্ভবত বিমান বসুই ছিলেন সব থেকে বর্ষীয়ান নেতা। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপি ও কংগ্রেসের কাউকে দেখা যায়নি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নামে চেয়ার রাখা ছিল। ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসনও। তাঁরা কেউই যাননি শপথ অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিমান বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর শরীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন, এবং তাঁর সুস্থতার দ্রুত কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তৎপর মমতা, ভবানীপুরে বিএলএ-দের নিয়ে তৃতীয়বার বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর