পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের বন্যা কবলিত বিস্তীর্ণ এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন দুপুরে তিনি হেলিকপ্টারে করে সবং, ভগবানপুর এবং পটাশপুরের প্লাবিত অঞ্চলগুলির সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শন শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই বন্যায় সবংয়ে ৩২০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গত পরিবারগুলির প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে কেলেঘাই নদীর জলস্তর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পিএইচই দপ্তরের আধিকারিক এবং জেলার বিধায়কদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। জলবন্দি এলাকার মানুষদের কাছে দ্রুত পানীয় জল ও পর্যাপ্ত রেশন পৌঁছে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুন:
পাশাপাশি, বন্যায় সাপে কামড়ানো ১০ জনকে ইতিমধ্যে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়েছে বলেও জানানো হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের এই বন্যা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানোর বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজেশ মাহাতোকে।
আরও পড়ুন:
এদিন পূর্বতন সরকারগুলির সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্থানীয়দের মতে ১৯৮৬ সালে জ্যোতি বসুর পর এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এই এলাকায় এলেন। আগের সরকারগুলি গ্রামের মানুষকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ করে তিনি জানান, গ্রামের সঙ্গেই তাঁর নাড়ির টান এবং গ্রাম থেকেই তাঁর পথচলার শুরু।