পুবের কমল, ওয়েবডেস্ক: গুজরাতের সমাচারের মালিক বাহুবলী শাহকে গ্রেফতার ইডির। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বাহুবলী শাহকে গ্রেফতার করে। সংবাদপত্রটি বাহুবলী এবং তাঁর ভাই শ্রেয়াংসের মালিকাধীন। এই গ্রেফতারের পিছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রয়েছে বলে অভিযোগ।

গুজরাতের কংগ্রেস নেতা জিগনেশ মেভানি এটিকে “অত্যন্ত লজ্জাজনক” বলে অভিহিত করেছেন।

জিগনেশ সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, “ইডি ​​আজ গুজরাতের বৃহত্তম সংবাদপত্র গুজরাত সমাচারের মালিক  বাহুবলী শাহকে গ্রেফতার করেছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক! আমরা গুজরাত সমাচারের সঙ্গে আছি! গত ২৫ বছর ধরে এই সংবাদপত্রটি যেভাবে মোদি-শাহের নীতির সমালোচনা করে আসছে তার প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই কাজটি করা হয়েছে!”

শাহ ভাইদের অফিস এবং বাড়িতে ইডি এবং আয়কর বিভাগ অভিযান চালায়। অভিযানের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

গুজরাতের প্রবীণ সাংবাদিক এবং এডিটরস গিল্ড অফ ইন্ডিয়ার সদস্য শীলা ভাট এক্স হ্যা্ন্ডলে লিখেছেন, “এটি সরকারের একটি গুরুতর পদক্ষেপ। গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেফতারের পর বাহুবলীকে সরকারি ভি.এস. হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়, তাই তাকে দ্রুত জাইডাস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে, শ্রেয়াংশভাই জাইডাস হাসপাতালে বাহুবলীভাইয়ের চিকিৎসা করছেন।
শ্রেয়াংশভাই গণমাধ্যমকর্মীদের বলেছেন যে তারা ‘লড়াই চালিয়ে যাবেন।’

মে মাসের শুরুতে, সুপ্রিম কোর্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরকে ইডির "প্যাটার্ন" বলে চিহ্নিত করেছিল। বিচারপতি অভয় ওকা ২০০০ কোটি টাকার ছত্তিশগড় মদ কেলেঙ্কারিতে অর্থ পাচারের আবেদনের শুনানির সময় মৌখিক পর্যবেক্ষণ বলেছিলেন,"আমরা ইডির বেশ কয়েকটি অভিযোগ দেখেছি। এটাই হল প্যাটার্ন - কোনও কিছুর উল্লেখ না করে কেবল অভিযোগ করা"।

গত বছরের ৬ আগস্ট, নিত্যানন্দ রাই সংসদে জানিয়েছিলেন যে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে নথিভুক্ত ৫,২৯৭টি মামলার মধ্যে মাত্র ৪০টি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব হয়েছে। তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।