২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যুর সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে ভারতের কাফসিরাপের, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  গাম্বিয়ার শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এল। রিপোর্টে ভারতে তৈরি কাফ সিরাপের সঙ্গে শিশু মৃত্যুর ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মার্কিন মেডিসিন বিভাগ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং গাম্বিয়ান স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের একটি যৌথ তদন্ত গাম্বিয়ায় শিশুর মৃত্যু এবং ভারতে তৈরি কাশির সিরাপ খাওয়ার মধ্যে একটি শক্তিশালী যোগসূত্রের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ‘হু’ ২০২২ সালের অক্টোবরে একটি সতর্কতা জারি করে বলেছিল যে ভারতীয় কোম্পানি মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড দ্বারা গাম্বিয়ায় সরবরাহ করা চারটি কাশির সিরাপ যথাযথ মান পূরণে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে দাবি করা হয় গাম্বিয়ার শিশুর মৃত্যুর সঙ্গে কাশির সিরাপের এক যোগসূত্র রয়েছে। এবার হু’র সেই দাবিকেই শিলমোহর দিল সিডিসি।

আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত: বিনিয়োগ চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেস সেক্রেটারি

গত বছর, গাম্বিয়ায় কাশির সিরাপ সেবনে ৬৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়। কাশির সিরাপ সেবনের ফলেই শিশুমৃত্যু হয়েছে বলেই দাবি করে গাম্বিয়া প্রশাসন।

আরও পড়ুন: রাজস্থানে প্যালেস্তাইনের সমর্থনে স্টিকার লাগানোর অভিযোগ, ব্রিটিশ যুগলকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

এদিকে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ‘হু’কে বলেছিল যে আফ্রিকার গাম্বিয়ায় মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তে কোনও ভেজাল পাওয়া যায়নি। সিরাপের নমুনা সংগ্রহ করে দেখা গিয়েছে তা গুণগত মান পূরণ করে তৈরি হয়েছে। তবে সিডিসি সেই তত্ত্ব খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন: ইউরোপের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্যচুক্তির পথে ভারত, উচ্ছ্বাসে মোদী

সিডিসির রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গাম্বিয়াতে আমদানি করা কাফ সিরাপে ডাইথিলিন গ্লাইকল বা ইথিলিন গ্লাইকল দ্বারা দূষিত রাসায়নিক পাওয়া গেছে। যা শিশুদের কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিশুদের মধ্যে মানসিক অবস্থার পরিবর্তন, মাথাব্যথা, এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সহ বিভিন্ন লক্ষ্‌ কম প্রস্রাব হওয়া এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

সর্বধিক পাঠিত

মালদহে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ বিদেশি মাদক: পুলিশের জালে দুই আন্তঃরাজ্য পাচারকারী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যুর সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে ভারতের কাফসিরাপের, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ

আপডেট : ৪ মার্চ ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  গাম্বিয়ার শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এল। রিপোর্টে ভারতে তৈরি কাফ সিরাপের সঙ্গে শিশু মৃত্যুর ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মার্কিন মেডিসিন বিভাগ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং গাম্বিয়ান স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের একটি যৌথ তদন্ত গাম্বিয়ায় শিশুর মৃত্যু এবং ভারতে তৈরি কাশির সিরাপ খাওয়ার মধ্যে একটি শক্তিশালী যোগসূত্রের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ‘হু’ ২০২২ সালের অক্টোবরে একটি সতর্কতা জারি করে বলেছিল যে ভারতীয় কোম্পানি মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড দ্বারা গাম্বিয়ায় সরবরাহ করা চারটি কাশির সিরাপ যথাযথ মান পূরণে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে দাবি করা হয় গাম্বিয়ার শিশুর মৃত্যুর সঙ্গে কাশির সিরাপের এক যোগসূত্র রয়েছে। এবার হু’র সেই দাবিকেই শিলমোহর দিল সিডিসি।

আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত: বিনিয়োগ চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেস সেক্রেটারি

গত বছর, গাম্বিয়ায় কাশির সিরাপ সেবনে ৬৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়। কাশির সিরাপ সেবনের ফলেই শিশুমৃত্যু হয়েছে বলেই দাবি করে গাম্বিয়া প্রশাসন।

আরও পড়ুন: রাজস্থানে প্যালেস্তাইনের সমর্থনে স্টিকার লাগানোর অভিযোগ, ব্রিটিশ যুগলকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

এদিকে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ‘হু’কে বলেছিল যে আফ্রিকার গাম্বিয়ায় মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তে কোনও ভেজাল পাওয়া যায়নি। সিরাপের নমুনা সংগ্রহ করে দেখা গিয়েছে তা গুণগত মান পূরণ করে তৈরি হয়েছে। তবে সিডিসি সেই তত্ত্ব খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন: ইউরোপের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্যচুক্তির পথে ভারত, উচ্ছ্বাসে মোদী

সিডিসির রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গাম্বিয়াতে আমদানি করা কাফ সিরাপে ডাইথিলিন গ্লাইকল বা ইথিলিন গ্লাইকল দ্বারা দূষিত রাসায়নিক পাওয়া গেছে। যা শিশুদের কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিশুদের মধ্যে মানসিক অবস্থার পরিবর্তন, মাথাব্যথা, এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সহ বিভিন্ন লক্ষ্‌ কম প্রস্রাব হওয়া এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।