পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: শনিবার সকালে নিজের বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে গুরুতর দগ্ধ হলেন সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। ধুলিয়ানে তাঁর বাসভবনে ঘটা এই অগ্নিকাণ্ডে বিধায়কের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাঁকে নিজস্ব একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, পরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিধায়ক।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ধুলিয়ানের যে বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে একটি বড় বিড়ি কারখানা ও গুদাম রয়েছে।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিধায়ক চূড়ান্ত নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। সেই সময়ে তিনি তাঁর দাদা ও বোনের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। বায়রনের সেই ভয়ংকর রূপ দেখে প্রাণভয়ে তাঁরা রাতেই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। এরপর শনিবার সকালে ফের নেশা করার জন্য তিনি আগুন ধরালে তা আচমকা বিড়ি তৈরির মজুত কাঁচামালে লেগে যায়। এর জেরেই দাউদাউ করে আগুন গোটা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে বলে অনুমান পুলিশের। জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ এবং এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই তীব্র চাঞ্চল্য ও রহস্য তৈরি হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।