পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : মালেগাঁও বিস্ফোরণের ১৭ বছর পর সাত অভিযুক্তই এন আই এর বিশেষ আদালতে বেকসুর মুক্তি পাওয়ায়, এই বিস্ফোরণের শিকার হয়ে নিহতদের পরিবার প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। তাঁরা ঠিক করেছেন, বোম্বে হাইকোর্টে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করবেন। সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়েইসি এদিন বলেন, মহরমের সময় ৬ নামাজিকে তাহলে হত্যা করল কে? তার জবাব দিতে হবে সরকারকে।
আরও পড়ুন:
নিদ্দিষ্ট ধর্মের মানুষ হিসেবেই তাঁদের টার্গেট করা হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের তদন্ত এবং সরকারি কৌশলে আসামিরা ছাড়া পেয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
মুম্বাই ট্রেন বিস্ফোরণের মামলায় যেমন স্থগিতাদেশ চেয়েছিল মহারাষ্ট্র সরকার, এক্ষেত্রেও কি তা করা হবে? বিস্ফোরণে কোনও ক্রমে বেঁচে যাওয়া আনসারি আহমেদ বললেন, আদালতই তো মৃত এবং আহতদের পরিবারকে ২ লক্ষ এবং ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে বলেছেন।আরও পড়ুন:
তার অর্থ মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সবাই ছাড়া পেয়ে গেল। মালেগাঁও এর বাসিন্দা কায়ুম কাসেমি বললেন, রায় শুনে আমরা হতাশ। এবার আমরা হাইকোর্ট, সেখানে বিচার না পেলে সুপ্রিম কোর্টে যাব।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ এর কাছেও তাঁরা বিচার চাইতে যাবেন। স্থানীয় আইনজীবী শাহিদ নাদিম এই ঘটনায় নিহতদের কয়েকটি পরিবারের হয়ে সওয়াল করেন।আরও পড়ুন:
তিনি বললেন, অভিযুক্তদের মুক্তি দেওয়া হলেও বেনিফিট অফ ডাউট এর বলে ওরা ছাড়া পেয়েছেন, পুরো অভিযোগমুক্ত হননি কেউ। বেনিফিট অফ ডাউট মানে সন্দেহ থাকলেও ভালো দিক বিচার করে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। আদালত স্বীকার করেছে, বিস্ফোরণ হয়েছে। তাই আমরা হাইকোর্টে যাব।
আরও পড়ুন:
সবচেয়ে ভেঙে পড়েছেন নিশাত আহমেদ। তিনি অভিযুক্তদের শাস্তি সুনিশ্চিত করতে গত ১৭ বছর ধরে আদালতে ছুটেছেন। এখন তাঁর বয়স ৭২। মানসিক অবসাদে ভুগছেন। ভালো করে কথা বলতে পারেন না। এদিন রায় শুনে তাঁর দুচোখ বেয়ে অশ্রু নেমে আসে। তবে তিনি কিছু বলতে চাননি।