পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় নামের বানান বিভ্রাট, মধ্যনাম নিয়ে জটিলতা এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাকের কারণে নোটিস পাঠানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। শুনানিতে কমিশনের ব্যবহৃত সফটওয়্যার ও এআই টুলের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, কমিশনের কাজে সহযোগিতার জন্য রাজ্য সরকার ৮,৫০০ কর্মী দিয়েছে। তবে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বাংলা জানা কর্মীদের নামের তালিকা আদৌ কমিশনের কাছে পৌঁছেছে কি না।
কমিশনের আইনজীবী জানান, সেই তথ্য তাঁদের হাতে আসেনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রয়োজনে মুখ্যসচিবের কাছ থেকে হলফনামা চাওয়া হবে।আরও পড়ুন:
এদিন মাইক্রো অবজার্ভারদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। কমিশনের তরফে জানানো হয়, তাঁরা কেবল সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, রাজ্যের আধিকারিকদের যুক্ত করলে সিদ্ধান্ত আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ হবে। এই শুনানির মধ্য দিয়ে স্পষ্ট, এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির অপব্যবহার ও প্রশাসনিক দুর্বলতায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা কোনওভাবেই মেনে নেবে না সুপ্রিম কোর্ট।