২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ড্রাগ নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি, সংসদে সরব অমিত শাহ

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বুধবার দেশে ড্রাগের ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই বেআইনি ব্যবসা করে কেউ কেউ প্রচুর টাকা উপার্জন করে সেই অর্থ সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে ব্যবহার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। পঞ্জাবে ড্রাগ মাফিয়াদের ব্যাপক দৌরাত্ম্য। এছাড়া এইসব ড্রাগ মাফিয়ারা অনেক সময় সন্ত্রাসী কাজকর্মেও যুক্ত থাকে।

 

আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানো হবে”: আরারিয়ার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

নাম উল্লেখ না করে তাদেরকেই তিনি একহাত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে খালিস্তানপন্থীদের নিয়ে কেন্দ্র সরকার বরাবরই সরব। অমিত শাহ নিজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ধরনের বিষয়গুলি তারই নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত। দেশে যদি সন্ত্রাস বেড়ে যায়, তবে তার দায় কার? ড্রাগ সেবন করে নয়া প্রজন্ম ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। অমিত শাহ এ কথা বলছেন।

আরও পড়ুন: ‘ভারতমাতাকে বিক্রি করতে লজ্জা করল না?’ সংসদে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

 

আরও পড়ুন: সংসদে তুমুল বাকবিতণ্ডা: বিধি লঙ্ঘন-অধিবেশনে বাধার দায়ে বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ

কিন্তু এ ধরনের ব্যবসা বন্ধ করতে তার সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে, উঠছে প্রশ্ন। এদিন পার্লামেন্টে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এ নিয়ে প্রশ্নও তোলেন। তবে শাহ কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। উলটে রেগে যান। ভাষণের সময় সৌগত রায় অমিত শাহ’র বক্তব্যের বিরোধিতা করছিলেন। অমিত শাহ প্রথমে সৌগত রায়কে বলেন, তাঁর কথা শেষ হলে মন্তব্য করার জন্য। সৌগত রায় অমিত শাহ’র কথা না শোনায় প্রথমে অমিত শাহ নিজের সিটে বসে পড়েন এবং সৌগত রায়ের উদ্দেশে বলেন, ‘দাদা আপনি আগে বলে নিন।’

 

এরপর সৌগত রায় চুপ করে যান। অমিত শাহ আবার বলা শুরু করলে সৌগত রায় তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। এবার মেজাজ হারিয়ে অমিত শাহ বলেন, এই বয়সে আপনার এমন অচরণ মানায় না। নেশা প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, ড্রাগ এবং অন্যান্য নেশা দ্রব্য বর্তমান প্রজন্মকে  বিপথগামী করছে। এই চক্রে অর্জিত টাকা দেশে সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে।

 

বুধবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ভাষণ দিতে উঠে ড্রাগ নিয়ে কেন্দ্র সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা ব্যক্ত করেন অমিত শাহ। তার দাবি, ড্রাগ ইস্যু নিয়ে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনও দেশের নাম না উল্লেখ করেই তিনি বলেন, যেসব দেশ ড্রাগের মুনাফাকে আমাদের দেশে সন্ত্রাস সৃষ্টিতে কাজে লাগাচ্ছে তাদেরকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে দেশের সমস্ত রাজ্যগুলিকে একযোগে কাজ করতে আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

শিশুদের সুরক্ষা: ১৫ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটছে পোল্যান্ড

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ড্রাগ নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি, সংসদে সরব অমিত শাহ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বুধবার দেশে ড্রাগের ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই বেআইনি ব্যবসা করে কেউ কেউ প্রচুর টাকা উপার্জন করে সেই অর্থ সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে ব্যবহার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। পঞ্জাবে ড্রাগ মাফিয়াদের ব্যাপক দৌরাত্ম্য। এছাড়া এইসব ড্রাগ মাফিয়ারা অনেক সময় সন্ত্রাসী কাজকর্মেও যুক্ত থাকে।

 

আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানো হবে”: আরারিয়ার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

নাম উল্লেখ না করে তাদেরকেই তিনি একহাত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে খালিস্তানপন্থীদের নিয়ে কেন্দ্র সরকার বরাবরই সরব। অমিত শাহ নিজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ধরনের বিষয়গুলি তারই নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত। দেশে যদি সন্ত্রাস বেড়ে যায়, তবে তার দায় কার? ড্রাগ সেবন করে নয়া প্রজন্ম ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। অমিত শাহ এ কথা বলছেন।

আরও পড়ুন: ‘ভারতমাতাকে বিক্রি করতে লজ্জা করল না?’ সংসদে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

 

আরও পড়ুন: সংসদে তুমুল বাকবিতণ্ডা: বিধি লঙ্ঘন-অধিবেশনে বাধার দায়ে বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ

কিন্তু এ ধরনের ব্যবসা বন্ধ করতে তার সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে, উঠছে প্রশ্ন। এদিন পার্লামেন্টে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এ নিয়ে প্রশ্নও তোলেন। তবে শাহ কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। উলটে রেগে যান। ভাষণের সময় সৌগত রায় অমিত শাহ’র বক্তব্যের বিরোধিতা করছিলেন। অমিত শাহ প্রথমে সৌগত রায়কে বলেন, তাঁর কথা শেষ হলে মন্তব্য করার জন্য। সৌগত রায় অমিত শাহ’র কথা না শোনায় প্রথমে অমিত শাহ নিজের সিটে বসে পড়েন এবং সৌগত রায়ের উদ্দেশে বলেন, ‘দাদা আপনি আগে বলে নিন।’

 

এরপর সৌগত রায় চুপ করে যান। অমিত শাহ আবার বলা শুরু করলে সৌগত রায় তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। এবার মেজাজ হারিয়ে অমিত শাহ বলেন, এই বয়সে আপনার এমন অচরণ মানায় না। নেশা প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, ড্রাগ এবং অন্যান্য নেশা দ্রব্য বর্তমান প্রজন্মকে  বিপথগামী করছে। এই চক্রে অর্জিত টাকা দেশে সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে।

 

বুধবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ভাষণ দিতে উঠে ড্রাগ নিয়ে কেন্দ্র সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা ব্যক্ত করেন অমিত শাহ। তার দাবি, ড্রাগ ইস্যু নিয়ে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনও দেশের নাম না উল্লেখ করেই তিনি বলেন, যেসব দেশ ড্রাগের মুনাফাকে আমাদের দেশে সন্ত্রাস সৃষ্টিতে কাজে লাগাচ্ছে তাদেরকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে দেশের সমস্ত রাজ্যগুলিকে একযোগে কাজ করতে আহ্বান জানান তিনি।