পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন। সোমবার ভারতীয় সময় বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ বাংলাদেশের সচিবালয়ে তাঁদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত জুন মাসে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তারেকের সঙ্গে দীনেশের প্রথম সাক্ষাৎ। উভয় পক্ষের তরফেই এই সৌজন্য সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের আবহে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার একটি সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগ, ভারতে বসে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ পাচ্ছেন হাসিনা, যা দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্তরায়।
যদিও ভারতের দাবি, এই সাংবাদিক বৈঠকের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও যোগ নেই এবং ওই মঞ্চে বলা কথাগুলি সরকার সমর্থন করে না। কিন্তু বাংলাদেশ ভারতের এই অবস্থান মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতির জেরে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের ভারত সফর অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে রবিবার একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’।আরও পড়ুন:
এই প্রেক্ষাপটে দীনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানকে ভারতে আসার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
তবে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় বৈঠকের ছবি পোস্ট করে জানানো হয়েছে যে, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুভেচ্ছা বার্তা তুলে দিয়েছেন এবং সেদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে যৌথভাবে গঠনমূলক কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।গত রবিবারই দীনেশ ত্রিবেদী ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আশার সুর শুনিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সম্মান করি। নরেন্দ্র মোদী ও তারেক রহমানের মধ্যে আলোচনা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।" সোমবার তারেকের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে তিনি রবিবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন।