০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি

পুবের কলম প্রতিবেদক, নদিয়া: কৃষ্ণগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে নিহত হলেন এক বাংলাদেশি। মোষ পাচারে বাধা দেওয়ায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ গুলি চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বিষ্ণুপুর সীমান্তের কাছে। মৃত বাংলাদেশির নাম মুনতাজ হোসেন (৩২)।

 

আরও পড়ুন: পরকীয়ার পথে কাঁটা স্বামী, ঘুমের ওষুধ খাইয়ে প্রেমিককে নিয়ে নৃশংস খুন স্ত্রীর!

সূত্রের খবর, শনিবার গভীর রাতে কয়েক জন পাচারকারী মোষ পাচার করতে গেলে ৫৪ নম্বর গেটে বিএসএফ-র ব্যাটেলিয়ানরা তাদের আটকায়। শনিবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। নিহত মুনতাজ হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর বাংলাদেশের দামুড়হুদা উপজেলার ছোট বলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, মোষ পাচার করার সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে বাধা পেয়ে এক জওয়ানকে হসুয়া দিয়ে কাটতে যান ওই পাচারকারী।

আরও পড়ুন: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এনকাউন্টারে খতম বেশ কয়েকজন মাওবাদী

তখন বিএসএফ গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে। ইতিমধ্যে তার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কৃষ্ণনগর পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে গুলির লড়াই, খতম ২ মাওবাদী

নিহতের আত্মীয় ইন্তাজুল আলি সংবাদ সংস্থাকে জানান, ‘রাতে সীমান্তে মহিষ আনতে যান আমার বড় ভাই। রাত ১টার দিকে সীমান্তের ৮২ নম্বর মেইন পিলারের উল্টো দিক থেকে ৭-৮ রাউন্ড গুলির শধ শুনি। ভারতের ৫৪ বিএসএফ বিজয়পুর ক্যাম্প থেকেই আওয়াজটা আসে বলে মনে হয়। পরে জানা যায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়ছেন মুনতাজ। তার লাশ নিয়ে যায় বিএসএফ।’

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ইরানে ট্রাম্পের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে কংগ্রেসে প্রস্তাব, ভোট চলতি সপ্তাহে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নদিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২২, রবিবার

পুবের কলম প্রতিবেদক, নদিয়া: কৃষ্ণগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে নিহত হলেন এক বাংলাদেশি। মোষ পাচারে বাধা দেওয়ায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ গুলি চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বিষ্ণুপুর সীমান্তের কাছে। মৃত বাংলাদেশির নাম মুনতাজ হোসেন (৩২)।

 

আরও পড়ুন: পরকীয়ার পথে কাঁটা স্বামী, ঘুমের ওষুধ খাইয়ে প্রেমিককে নিয়ে নৃশংস খুন স্ত্রীর!

সূত্রের খবর, শনিবার গভীর রাতে কয়েক জন পাচারকারী মোষ পাচার করতে গেলে ৫৪ নম্বর গেটে বিএসএফ-র ব্যাটেলিয়ানরা তাদের আটকায়। শনিবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। নিহত মুনতাজ হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর বাংলাদেশের দামুড়হুদা উপজেলার ছোট বলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, মোষ পাচার করার সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে বাধা পেয়ে এক জওয়ানকে হসুয়া দিয়ে কাটতে যান ওই পাচারকারী।

আরও পড়ুন: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এনকাউন্টারে খতম বেশ কয়েকজন মাওবাদী

তখন বিএসএফ গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে। ইতিমধ্যে তার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কৃষ্ণনগর পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে গুলির লড়াই, খতম ২ মাওবাদী

নিহতের আত্মীয় ইন্তাজুল আলি সংবাদ সংস্থাকে জানান, ‘রাতে সীমান্তে মহিষ আনতে যান আমার বড় ভাই। রাত ১টার দিকে সীমান্তের ৮২ নম্বর মেইন পিলারের উল্টো দিক থেকে ৭-৮ রাউন্ড গুলির শধ শুনি। ভারতের ৫৪ বিএসএফ বিজয়পুর ক্যাম্প থেকেই আওয়াজটা আসে বলে মনে হয়। পরে জানা যায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়ছেন মুনতাজ। তার লাশ নিয়ে যায় বিএসএফ।’