তেল আভিভ, ৩১ মার্চ: ফের বিক্ষোভের মুখে ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে বিক্ষোভ শুরু করেছেন বিক্ষোভকারীরা। তেল আভিভ ও জেরুসালেমের পথে নেমে পড়তে দেখা গেল হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। তাঁদের অভিযোগ, গাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেন না তিনি। পণবন্দিদের মুক্ত করতেও ব্যর্থ নেতানিয়াহু।
সবমিলিয়ে নিজের দেশেই বিক্ষোভ মুখে পড়ে অস্বস্তিতে ইজরাইলি প্রধানমন্ত্রী।আরও পড়ুন:
গত সোমবার গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বানে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস করে। নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় ইজরাইল ও ফিলিস্তিন হামাসের মধ্যে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়। পাশাপাশি পণবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার কথাও বলা হয়। রাষ্ট্রসংঘে প্রস্তাব পাসের পরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় ইসরাইল।
হামাসের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে প্রতিনিধিদল পাঠানোয় অনুমোদন দিয়েছিল ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা প্রধানদের পরিস্থিতি বিবেচনায় কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন নেতানিয়াহু।আরও পড়ুন:
JUST IN:
🇮🇱 The Anti-government protesters in Tel Aviv break through police barriers and march towards Prime Minister's residence in Jerusalem pic.twitter.com/orcGnldfK8
— Megatron (@Megatron_ron) March 30, 2024আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
এদিকে, গত শনিবার সন্ধ্যায় আলোচনায় বসেছিল ইজরাইল ও হামাস। রবিবারও কায়রোয় ফের আলোচনা হওয়ার কথা।
এখনও পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির বিষয়ে পরিষ্কার কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। এখনও ইজরাইলি ও বিদেশি মিলিয়ে গাজায় পণবন্দি রয়েছে অন্তত ১৩৪ জন। বিক্ষোভকারীরা পণবন্দিদের আত্মীয়। তাঁদের দাবি, পণবন্দিদের দ্রুত মুক্ত না করতে পারাটা নেতানিয়াহুর ব্যর্থতা।আরও পড়ুন:
এদিন তেল আভিভে রিং রোড অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। পাশাপাশি জেরুসালেমেও বহু মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। নেতানিয়াহুর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিক্ষোভকারীরা। এক বিক্ষোভকারী বলেন, "আপনি (নেতানিয়াহু) যুদ্ধবিরতির চুক্তি হতে দিচ্ছেন না। আমাদের ও প্রিয়জনদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আপনিই।”