পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ চিরঘুমে সকলের প্রিয় সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ওরফে সুব্রতা দা। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে গান স্যালুটের মাধ্যমে তাঁর শেষযাত্রা সম্পন্ন হবে। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন:
এককথায় বলা যায়, রাজনৈতিক জগতের চাণক্য ছিলেন তিনি। ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস জমানার ক্রাইসিস ম্যানেজার, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:

প্রত্যেক বারের মতোই এবছরেও কালীপুজো নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মন তার সকাল থেকে অস্বস্তিতে ছিল বলে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পর ঠিক রাতে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অসুস্থতার অবনতির খবর আসে। ছুটে যান তিনি।
ততক্ষণে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে গেছে। কার্ডিওলজি বিভাগে তিনি। বাইরে এসে মমতা ব্যানার্জি সকলকে জানান, সুব্রত দা' আর নেই। চোখে জল নিয়ে বেরিয়ে এসে বললেন, ‘ওঁর মরদেহ দেখতে পারব না।’ শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুন:
একটা সময় রাজনীতির জগতে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ে হাত ধরেই প্রবেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জীবনে অনেক চড়াই উৎরাই মধ্য দিয়ে গেছে রাজনৈতিক সংগ্রাম। মমতার সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে দল ছেড়ে গিয়েছেন, কিন্তু আবার ফিরে এসেছিলেন মমতার কাছেই।
আরও পড়ুন:
আজ শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ এই বর্ষীয়ান মন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত তাঁর নশ্বরদেহ শায়িত থাকবে রবীন্দ্র সদনে। তারপর তা যাবে গড়িয়াহাটের বাড়িতে। সেখান থেকে একডালিয়া এভারগ্রিন ক্লাবে। তারপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।আরও পড়ুন:
শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ নবান্ন
আরও পড়ুন:
৩২৫, শরৎ চ্যাটার্জি রোড হাওড়া—৭১১১০২
আরও পড়ুন:
স্মারক সংখ্যা: ১৬২/আইসিএ/এনবিতারিখ: ৪/১১/২০২১
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা,
আরও পড়ুন:
রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জীর প্রয়াণে আমি গভীর শোকপ্রকাশ করছি। তিনি আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। পাশাপাশি সুব্রতদা ক্রেতা সুরক্ষা, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং স্বনিযুক্তি দফতরের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।
হাসিমুখে তিনি জেলায় জেলায় ঘুরে আমাদের সরকারের কাজে অতুলনীয় অবদান রেখেছেন। এছাড়া কলকাতার মেয়র হিসাবে কলকাতার সামগ্রিক উন্নয়নে তাঁর বিশেষ ভূমিকা স্মরণীয়।আরও পড়ুন:
সুব্রতদা ছাত্র আন্দোলনে সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থেকেছেন। ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই আমি তাঁর সঙ্গে থেকেছি, তাঁর নেতৃত্বে বড় হয়েছি। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং শারদীয়া দুর্গাপূজার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। সুব্রতদার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ছিল। তিনি আমার অগ্রজ ও অভিভাবকতুল্য ছিলেন। তাঁর প্রয়াণ আমার কাছে এক বিরাট ক্ষতি শুধু নয়, রাজ্যের তথা দেশের রাজনৈতিক জগতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি। আমি ছন্দবাণী বৌদি–সহ সুব্রত দার পরিবার–পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’।