ইরান তাঁর দুই ছেলের একজনকে হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে এই দাবির সমর্থনে তিনি কোনও প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য দেননি। মঙ্গলবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার সময় বিষয়টি সামনে আসে।

আইজেনকটকে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা দেওয়ার পক্ষে মত দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, নিরাপত্তায় কোনও ঘাটতি থাকলে ইরানিরা তাঁদের পরিকল্পনা সফল করতে পারে।

নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তবে ঠিক কোন ছেলেকে হত্যার নিশানা করা হয়েছিল, তা তিনি জানাননি। তাঁর বড় ছেলে ৩৫ বছর বয়সী ইয়াইর ২০২৪ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে রয়েছেন এবং শিন বেটের নিরাপত্তা পাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি খরচে তাঁর নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলে বিতর্কও রয়েছে।
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের পর ইসরায়েলি সাংবাদিক অমিত সেগাল দাবি করেন, হামলার চেষ্টার বিষয়টি কয়েক মাস আগেই জানা গিয়েছিল। তবে আদালতের নির্দেশে এত দিন তা প্রকাশ করা যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলায় মোজতবাও আহত হন এবং তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। পরে তিনি বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।