২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংসদে কংগ্রেসকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ মোদির, কংগ্রেসকে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বলে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ লোকসভাতে একের পর এক চাঁচাছোলা ভাষাতে কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ম্যারাথন ভাষণে ছিল শুধুই কংগ্রেসের তুলোধনা। এদিন দলের সাফল্যের চাবিকাঠিকে সামনে রেখে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে করোনায় সংক্রমণ বৃদ্ধির দায় কংগ্রেস ও আপ সরকারের উপর তুলে দেন মোদি।

এদিন প্রধানমন্ত্রী সোচ্চার হয়ে বলেন, করোনাকালে কংগ্রেস সব সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। কোভিড অতিমারীর সময়ে বিহার, উত্তরপ্রদেশ থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরতেও উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘ভারতমাতাকে বিক্রি করতে লজ্জা করল না?’ সংসদে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

‘মানবজাতির সংকটের সময় এ কেমন রাজনীতি?’ বলে কংগ্রেসকে একের পর এক প্রশ্নবাণে কোণঠাসা করেন মোদি।

আরও পড়ুন: মমতার প্রস্তাবে নজিরবিহীন সাড়া: মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে একজোট কংগ্রেস-সপা-সহ বিরোধী শিবির

তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই ভেবেছিল ভারত সরকার করোনার সঙ্গে লড়াই করতে পারবে না। কংগ্রেসের রাজনীতি দেখে শুধু আমি নয়, গোটা দেশ হতবাক। আপনারা আজ উপলব্ধি করুন, কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন আপনারা। এত হারের পরেও অহঙ্কার যাচ্ছে না কংগ্রেসের। কংগ্রেস যদি সংসদকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারত তাহলে আজ এই অবস্থা হত না। পর পর শ্লেষাত্মক প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করে মোদি বলেন, যে ভাবে আপনারা কথা বলেন,  তাতে আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আপনারা বোধ হয় ঠিক করে নিয়েছেন ১০০ বছরে ক্ষমতায় আসবেন না।’  মোদি বলেন, ‘গোয়ায় ১৯৯৪-তে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল,  ২৮ বছরেও আর প্রবেশ করতে পারেনি। ত্রিপুরায় ৩৪ বছর আগে ১৯৮৮ সালে কংগ্রেস শেষবার জিতেছিল। এ ছাড়া, ১৯৮৫ সালে উত্তরপ্রদেশে,  আর পশ্চিমবঙ্গে ৫০ বছর আগে ১৯৭২ সালে কংগ্রেসকে শেষবার মানুষ ভোট দিয়েছিল। তামিলনাড়ুতেও কংগ্রেসের অবস্থা খারাপ হবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: সংসদে তুমুল বাকবিতণ্ডা: বিধি লঙ্ঘন-অধিবেশনে বাধার দায়ে বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ

মোদি বলেন, মানুষ যদি একবার ঠিক রাস্তা ধরে ফেলে, তাহলে আর আপনাদের প্রবেশ করতে দেয়  না। এত বড় গণতন্ত্রে এত দিন শাসক হিসেবে থাকার পরও বারবার হার। সরকারের অন্ধ বিরোধ গণতন্ত্রের পক্ষে ঠিক নয়। এদিন মোদির ভাষণের সুর ছিল ঠিক বিরোধী দলনেতার মতো। তাঁর ভাষণ শুনে মনে হতেই পারে, সরকারে রয়েছে কংগ্রেস। এদিন মোদি ম্যারাথন তোপ দেগে বলতে থাকেন, কংগ্রেস বিদ্বেষ ও শাসকের মন্ত্রণা শিখেছে ব্রিটিশের কাছ থেকে। আসলে ‘কংগ্রেস হল টুকরে টুকরে গ্যাং’।

সোমবার বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবে বক্তব্য  রাখেন নরেন্দ্র মোদি। আর সেখান থেকেই দলের তরফে উন্নয়নের খতিয়ান গাইতে গিয়ে মোদি বলেন, ভারত আজ বিশ্বের মানচিত্রে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। আজ ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এর পরেই কংগ্রেসকে সামনে  পর পর প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেন মোদি।

সর্বধিক পাঠিত

আজ SIR এর প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কী দেখবেন এবং কীভাবে দেখবেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সংসদে কংগ্রেসকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ মোদির, কংগ্রেসকে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বলে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ লোকসভাতে একের পর এক চাঁচাছোলা ভাষাতে কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ম্যারাথন ভাষণে ছিল শুধুই কংগ্রেসের তুলোধনা। এদিন দলের সাফল্যের চাবিকাঠিকে সামনে রেখে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে করোনায় সংক্রমণ বৃদ্ধির দায় কংগ্রেস ও আপ সরকারের উপর তুলে দেন মোদি।

এদিন প্রধানমন্ত্রী সোচ্চার হয়ে বলেন, করোনাকালে কংগ্রেস সব সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। কোভিড অতিমারীর সময়ে বিহার, উত্তরপ্রদেশ থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরতেও উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘ভারতমাতাকে বিক্রি করতে লজ্জা করল না?’ সংসদে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

‘মানবজাতির সংকটের সময় এ কেমন রাজনীতি?’ বলে কংগ্রেসকে একের পর এক প্রশ্নবাণে কোণঠাসা করেন মোদি।

আরও পড়ুন: মমতার প্রস্তাবে নজিরবিহীন সাড়া: মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে একজোট কংগ্রেস-সপা-সহ বিরোধী শিবির

তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই ভেবেছিল ভারত সরকার করোনার সঙ্গে লড়াই করতে পারবে না। কংগ্রেসের রাজনীতি দেখে শুধু আমি নয়, গোটা দেশ হতবাক। আপনারা আজ উপলব্ধি করুন, কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন আপনারা। এত হারের পরেও অহঙ্কার যাচ্ছে না কংগ্রেসের। কংগ্রেস যদি সংসদকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারত তাহলে আজ এই অবস্থা হত না। পর পর শ্লেষাত্মক প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করে মোদি বলেন, যে ভাবে আপনারা কথা বলেন,  তাতে আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আপনারা বোধ হয় ঠিক করে নিয়েছেন ১০০ বছরে ক্ষমতায় আসবেন না।’  মোদি বলেন, ‘গোয়ায় ১৯৯৪-তে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল,  ২৮ বছরেও আর প্রবেশ করতে পারেনি। ত্রিপুরায় ৩৪ বছর আগে ১৯৮৮ সালে কংগ্রেস শেষবার জিতেছিল। এ ছাড়া, ১৯৮৫ সালে উত্তরপ্রদেশে,  আর পশ্চিমবঙ্গে ৫০ বছর আগে ১৯৭২ সালে কংগ্রেসকে শেষবার মানুষ ভোট দিয়েছিল। তামিলনাড়ুতেও কংগ্রেসের অবস্থা খারাপ হবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: সংসদে তুমুল বাকবিতণ্ডা: বিধি লঙ্ঘন-অধিবেশনে বাধার দায়ে বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ

মোদি বলেন, মানুষ যদি একবার ঠিক রাস্তা ধরে ফেলে, তাহলে আর আপনাদের প্রবেশ করতে দেয়  না। এত বড় গণতন্ত্রে এত দিন শাসক হিসেবে থাকার পরও বারবার হার। সরকারের অন্ধ বিরোধ গণতন্ত্রের পক্ষে ঠিক নয়। এদিন মোদির ভাষণের সুর ছিল ঠিক বিরোধী দলনেতার মতো। তাঁর ভাষণ শুনে মনে হতেই পারে, সরকারে রয়েছে কংগ্রেস। এদিন মোদি ম্যারাথন তোপ দেগে বলতে থাকেন, কংগ্রেস বিদ্বেষ ও শাসকের মন্ত্রণা শিখেছে ব্রিটিশের কাছ থেকে। আসলে ‘কংগ্রেস হল টুকরে টুকরে গ্যাং’।

সোমবার বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবে বক্তব্য  রাখেন নরেন্দ্র মোদি। আর সেখান থেকেই দলের তরফে উন্নয়নের খতিয়ান গাইতে গিয়ে মোদি বলেন, ভারত আজ বিশ্বের মানচিত্রে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। আজ ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এর পরেই কংগ্রেসকে সামনে  পর পর প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেন মোদি।