পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ছবি পাঠানো শুরু করেছে উত্তর কোরিয়ার গোয়েন্দা স্যাটেলাইট। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভবন হোয়াইট হাউস ও প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনসহ মার্কিন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সব অফিসের ছবি পাঠিয়েছে স্যাটেলাইটটি। সেসব ছবি নিয়ে এখন ‘গবেষণা’ করছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।

স্পাই স্যাট দিয়ে হোয়াইট হাউসে নজরদারি কিম জং উনের

উপগ্রহ মারফত আমেরিকার অনেক গোপন খবর পাচ্ছেন তিনি! গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া তাদের প্রথম নজরদারি স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠায়।

দেশটির কর্মকর্তারা জানান, এই স্যাটেলাইটের মূল কাজ যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক কার্যক্রমের ওপর নজর রাখা। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরপরই উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানায় পশ্চিমা দেশগুলো। পশ্চিমারা বলছে, ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে পিয়ং ইয়ং। বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বিতর্কও হয়েছে। সেই বিতর্ক সভায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পক্ষে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরেছে উত্তর কোরিয়া।

রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত উত্তর কোরীয় রাষ্ট্রদূত কিম সং বলেছেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের বেলায় নজরদারি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কোনও বিধিনিষেধ নেই। তাহলে আমাদের বেলায় কেন থাকবে?’ কিম সং আরও বলেছেন, ‘বিশ্বের আর কোনও দেশই উত্তর কোরিয়ার চেয়ে বেশি নিরাপত্তা হুমকিতে নেই। যুদ্ধবাজ দেশ যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পরমাণু হামলার হুমকি দিচ্ছে। তাই অস্ত্র উৎপাদন আমাদের বৈধ অধিকার।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়া ও চিনের বন্ধু হিসেবে পরিচিত দেশ উত্তর কোরিয়া এতদিন পর্যন্ত বিদেশি স্যাটেলাইটের নজরদারিতে ছিল। এখন তারা নিজেরাই কক্ষপথে একটি স্যাটেলাইট পাঠিয়ে অন্যান্য দেশকে নজরদারিতে আনতে সক্ষম হয়েছে, যা কিম জং উনের জন্য একটি বড় অর্জন।