পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: pahalgam terror attack.. কেটে গেছে ৫ দিন! এখনও অধরা পহেলগাঁও কাণ্ডে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীরা। ইতিমধ্যেই ইন্টেলিজেন্স-এর ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে সরব বিরোধীরা। সন্ত্রাসীদের নৃশংসতার প্রতিবাদে দেশের কোণায় কোণায় প্রতিবাদ মিছিল বের হচ্ছে। হিন্দু, মুসলিম তথা সকল ধর্মের মানুষ সেই মিছিলে অংশগ্রহণ করছেন।
অথচ গোবলয় গুলিতে দেখা মিলছে ভিন্ন চিত্র। শুধু মুসলিম হওয়ার জেরে একের পর এক মুসলিম খুন, নির্যাতন সহ দোকান- পাট জ্বালিয়ে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।আরও পড়ুন:
তেমনই এক চিত্র ধরা পড়েছে বিজেপি শাসিত হরিয়ানায়। শুধু মুসলিম হওয়ার অপরাধে আম্বালা শহরে একাধিক দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতেও ক্ষান্ত হয়নি উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরা।
দোকানের মালিকদের শারীরিকভাবে নির্যাতনও করা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নীরব প্রশাসন। একেবারে মৌনব্রত পালন করছে তারা। একের পর এক নিরীহ মুসলিমের ওপর অত্যাচার হচ্ছে অথচ চুপ চাপ দেখে যাচ্ছে তারা।আরও পড়ুন:
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলি শনিবার পাঁচ থেকে ছয়টি দোকান ভাঙচুর করে, মুসলিম দোকানদারদের মেরেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছিলেন (pahalgam terror attack)।আরও পড়ুন:
ইংরেজদের থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পরিকল্পিত বিভাজন নীতি যে আখেরে দেশের ক্ষতিই করে, সেটা হয়তো বুঝতে পারছেন না উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যে দেশের সাধারণ মুসলিমের কোনও সম্পর্ক নেই, সেটা তাদের নিরেট বুদ্ধিতে এঁটে উঠতে পারছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
আরও পড়ুন:
তাঁদের আরও পর্যবেক্ষণ, পহেলগাঁওয়ের (pahalgam terror attack) হামলার ঘটনার পর থেকে প্রায়দিনই উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের দ্বারা মুসলিমদের অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। গোবলয়ে তো এ রকম ঘটনা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে ঘটে চলেছে। এই উগ্র হিন্দুত্ববাদ তাঁদের কাছে তাৎক্ষণিক লাভ এনে দিলেও সমাজের, মনুষ্যত্বের, বিবেকের সুদূরপ্রসারী ক্ষতি করে দেয়, যা অপূরণীয়।
আরও পড়ুন:
Deadly explosion shakes Iran: নিহত বেড়ে ৪০
আরও পড়ুন:
প্রকৃতপক্ষে দেশে যখন উন্নয়ন হয় না, বৈষম্য নিদারুণ ভাবে বেড়ে যায়, মর্যাদার চাকরি করার সুযোগ ক্ষীণ হয়ে আসে, তখন এই সব সমস্যা থেকে চোখ সরাতে প্রয়োজন হয় এক ধর্মকে অন্য ধর্মের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো। যা পহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলার মতো বিছিন্ন ঘটনাগুলি আরও ইন্ধন যোগায়।
আরও পড়ুন: