২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়ী নির্দল প্রার্থীদের তৃণমূলে NO Entry, স্পষ্ট বার্তা মমতার

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ ১৪১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর। বাকিরা সরাসরি না বললেও ঘনিষ্ঠ মহলে পূর্বাশার মতো একই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা যায়। তবে তাঁদের সেই ইচ্ছা যে এখনই পূরণ হচ্ছে না তা বৃহস্পতিবার স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মহারাষ্ট্র  নিবাস থেকে দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দোপাধ্যায় জানান–  এখনই দলে নেওয়া হবে না জয়ী নির্দল কাউন্সিলরদের।

তৃণমূল সূত্রে খবর–  তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে ভোটে লড়াই করাটা মোটেই ভালো চোখে দেখিনি দল। আর তাই নির্দল কাউন্সিলররা চাইলেই তৃণমূল তাঁদের জন্য দলের দরজা খুলতে নারাজ এখনই। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্যে কিছুটা সেই আভাসই পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘ফাউন্ডিং পিলার’ ছিলেন মুকুল রায়: প্রবীণ নেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ অভিষেকের

তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন–  ‘আমি চাই না যারা নির্দল হিসাবে জিতেছে তারা এখনই দলে চলে আসুক। তাদের অপেক্ষা করতে হবে।  তিনি আরও বলেন– ‘দল এখন অনেক শক্তিশালী। সবাইকে সবকিছু দেওয়া যায় না। আমি খুশি যে এই নির্বাচনে ৪২ শতাংশ মহিলা প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। ১ জন পরাজিত হয়েছেন। সেই নির্দল প্রার্থী–  যাঁর কাছে হেরেছে তাঁর সঙ্গে আমাদের দলের সম্পর্ক আগে ছিল। তাঁরা যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু আমি চাই না যাঁরা স্বতন্ত্রভাবে জিতেছে তাঁরা দলে আসুক। কারণ যাঁরা পরাজিত হয়েছেন তাদের সঙ্গে আমি থাকব। কেউ যদি মনে করে বিপদে ফেলে অন্যকাউকে জিতিয়ে দিয়ে পরে আবার ঢুকে যাব–  তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। গেম ইজ নট দ্যাট ইজি। যে ১০ জন হেরেছেন তাদের কর্পোরেশনের নানা কাজে লাগাতে হবে।’

আরও পড়ুন: রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও মমতার ‘যুবসাথী’ আবেদন শুরু, অফলাইনের চাপ কমাতে নবান্নের উদ্যোগ

প্রসঙ্গত–  নির্দল প্রার্থী হিসেবে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে আয়েশা কনিজ,  ১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে রুবিনা নাজ এবং ১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্বাশা নস্কর জয়ী হন। এঁরা তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে  নির্দল প্রার্থী হন। ভোটে জয় পেয়েই তাঁরা দলের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। জয়ী ওই নির্দল কাউন্সিলরদের মহারাষ্ট্র  নিবাসে তৃণমূলের দলীয় বৈঠকেও ডাকা হয়নি।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মমতার, তারেক রহমানকে পাঠালেন ফুল-মিষ্টি

 

সর্বধিক পাঠিত

পেশিশক্তির চাপে বিশ্বে কোণঠাসা মানবাধিকার! আক্ষেপ জাতিসংঘ মহাসচিবের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জয়ী নির্দল প্রার্থীদের তৃণমূলে NO Entry, স্পষ্ট বার্তা মমতার

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ ১৪১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর। বাকিরা সরাসরি না বললেও ঘনিষ্ঠ মহলে পূর্বাশার মতো একই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা যায়। তবে তাঁদের সেই ইচ্ছা যে এখনই পূরণ হচ্ছে না তা বৃহস্পতিবার স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মহারাষ্ট্র  নিবাস থেকে দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দোপাধ্যায় জানান–  এখনই দলে নেওয়া হবে না জয়ী নির্দল কাউন্সিলরদের।

তৃণমূল সূত্রে খবর–  তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে ভোটে লড়াই করাটা মোটেই ভালো চোখে দেখিনি দল। আর তাই নির্দল কাউন্সিলররা চাইলেই তৃণমূল তাঁদের জন্য দলের দরজা খুলতে নারাজ এখনই। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্যে কিছুটা সেই আভাসই পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘ফাউন্ডিং পিলার’ ছিলেন মুকুল রায়: প্রবীণ নেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ অভিষেকের

তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন–  ‘আমি চাই না যারা নির্দল হিসাবে জিতেছে তারা এখনই দলে চলে আসুক। তাদের অপেক্ষা করতে হবে।  তিনি আরও বলেন– ‘দল এখন অনেক শক্তিশালী। সবাইকে সবকিছু দেওয়া যায় না। আমি খুশি যে এই নির্বাচনে ৪২ শতাংশ মহিলা প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। ১ জন পরাজিত হয়েছেন। সেই নির্দল প্রার্থী–  যাঁর কাছে হেরেছে তাঁর সঙ্গে আমাদের দলের সম্পর্ক আগে ছিল। তাঁরা যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু আমি চাই না যাঁরা স্বতন্ত্রভাবে জিতেছে তাঁরা দলে আসুক। কারণ যাঁরা পরাজিত হয়েছেন তাদের সঙ্গে আমি থাকব। কেউ যদি মনে করে বিপদে ফেলে অন্যকাউকে জিতিয়ে দিয়ে পরে আবার ঢুকে যাব–  তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। গেম ইজ নট দ্যাট ইজি। যে ১০ জন হেরেছেন তাদের কর্পোরেশনের নানা কাজে লাগাতে হবে।’

আরও পড়ুন: রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও মমতার ‘যুবসাথী’ আবেদন শুরু, অফলাইনের চাপ কমাতে নবান্নের উদ্যোগ

প্রসঙ্গত–  নির্দল প্রার্থী হিসেবে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে আয়েশা কনিজ,  ১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে রুবিনা নাজ এবং ১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্বাশা নস্কর জয়ী হন। এঁরা তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে  নির্দল প্রার্থী হন। ভোটে জয় পেয়েই তাঁরা দলের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। জয়ী ওই নির্দল কাউন্সিলরদের মহারাষ্ট্র  নিবাসে তৃণমূলের দলীয় বৈঠকেও ডাকা হয়নি।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মমতার, তারেক রহমানকে পাঠালেন ফুল-মিষ্টি