পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর অবশেষে মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু করল নবান্ন। অর্থ দফতর ইতিমধ্যেই টাকা ছাড়ার কাজ শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, গ্রুপ ডি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে সরাসরি তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা পড়বে। অন্যদিকে, বাকি সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য টাকা জমা হবে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ) অ্যাকাউন্টে। পাশাপাশি, কর্মীরা চাইলে নিজেদের বকেয়া ডিএ-র হিসাবও অনলাইনে দেখে নিতে পারছেন।
আরও পড়ুন:
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই টাকা জিপিএফ-এ জমা দেওয়ার জন্য এইচআরএমএস পোর্টালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের ডিডিও (ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার) প্রথমে এরিয়ার বা সাপ্লিমেন্টারি সেকশনে গিয়ে টাস্কলিস্ট যাচাই করবেন। এরপর বিল সামারি তৈরি করে এরিয়ার/সাপ্লিমেন্টারি বিল জেনারেট করতে হবে। সেই বিল অনুমোদনের পরেই কর্মীদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়বে। আধিকারিকরা ইনস্টলমেন্ট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও দেখতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে আইনি লড়াই চলছিল। আগে কলকাতা হাইকোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য যায় সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, ডিএ কোনও অনুগ্রহ নয়, এটি কর্মীদের আইনি অধিকার। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দু’টি কিস্তিতে মেটাতে হবে মে মাসের মধ্যে। তার মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। যদিও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে টাকা মেটানো সম্ভব হয়নি বলে অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল রাজ্য সরকার।