পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রতিরক্ষাখাতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারত। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর হাতে ধরে কেরলের কোচি থেকে নিজের যাত্রা শুরু করল সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আইএনএস বিক্রান্ত। ২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া এই রণতরীর একসঙ্গে ৩০টি যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম। মিগ-২৯কে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার সহ ১৬০০ সেনা সহ করতে সক্ষম আইএনএস বিক্রান্ত।
আরও পড়ুন:
এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভারতীয়দের গর্ব আইএনএস বিক্রান্ত। আজ ভারত সেই দেশগুলির তালিকায় নিজের নাম নথিভুক্ত করেছে, যারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে রণতরী তৈরি করতে সক্ষম।
দেশকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে। আইএনএস বিক্রান্ত যেকোনও প্রতিবন্ধকতার জবাব দিতে সক্ষম। আইএনএস ভারত হল আত্মনির্ভর ভারতেরই প্রতিফলন।আরও পড়ুন:
২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই বিশাল রণতরী, যা এই যুদ্ধবিমান বহন করতেও সক্ষম।
আরও পড়ুন:
২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া এই রণতরীর বিশেষত্ব হল এটিই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম রণতরী। এছাড়া দেশে এর আগে এত বড় কোনও রণতরী তৈরি করা হয়নি।
এই রণতরীতে একসঙ্গে ৩০টি যুদ্ধবিমান বহন করা সম্ভব। মিগ-২৯কে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টারও একসঙ্গে বহন করতে সক্ষম এই রণতরী। ১৬০০ সেনা বহন করতে সক্ষম এই রণতরী।আরও পড়ুন:
সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিকে রণতরী তৈরি করতে পারার সাফল্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন ভারত কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কোনও লক্ষ্য পূরণই অসম্ভব হয় না। বর্তমানে বিশ্বের হাতে গোনা যে কয়েকটি দেশের কাছে বিশ্বমানের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি রয়েছে, সেই তালিকায় ভারতও শামিল হল।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন আইএনএস বিক্রান্ত আমাদের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় মোতায়েন হবে, তখন নৌসেনার বহু মহিলা কর্মীদেরও সেখানে পাঠানো হবে।
সমুদ্রের যেমন অসীম ক্ষমতা, তেমনই অসীম নারী ক্ষমতার জোরেই নতুন ভারতের পরিচিতি তৈরি হবে।”আইএনএস বিক্রান্ত সমস্ত ভারতীয়ের গর্ব। বড় চ্যালেঞ্জের উত্তর দিতে প্রস্তুত আইএনএস বিক্রান্ত।আরও পড়ুন:
নৌসেনার নতুন পতাকা সম্পর্কেও নরেন্দ্র মোদি বলেন, এতদিন অবধি ভারতীয় নৌসেনার পতাকায় দাসত্বের ছাপ রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে, ছত্রপতি শিবাজির অনুপ্রেরণায় নৌসেনার নতুন পতাকা সমুদ্র ও আকাশে গর্বের সঙ্গে উড়বে। আইএনএস বিক্রান্ত শুধু একটি রণতরী নয়, এটা কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা, প্রতিভার প্রমাণ।”
আরও পড়ুন:
শুক্রবার কোচি শিপইয়ার্ডে এই রণতরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকেরা। এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নৌসেনার নতুন পতাকারও উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন: