পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পুজো কমিটিগুলোকে এবার ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনুদান। ভোটমুখী রাজ্যে বাড়ল পুজোর অনুদান। গত বছরের তুলনায় ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হল অনুদান। তাঁর এই ঘোষণায় স্বভাবতই খুশি পুজো উদ্যোক্তারা। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ খরচ ৮০ শতাংশ কমবে। ফায়ার লাইসেন্স ও যাবতীয় সরকারি ফি মকুব করা হয়েছে।
এক ঝলকে এই দিনের বৈঠক
*৫ অক্টোবর দুর্গাপুজো কার্নিভাল, বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর থেকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
* ২, ৩ এবং ৪ অক্টোবর বিসর্জনের দিন, এ কথাও জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
* মহিলাদের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ জোর দেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।
*এ বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে শারদোৎসব। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে পুজো কমিটিগুলি। সেই আবহে বৃহস্পতিবার কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের বিভিন্ন পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষকর্তারা, কলকাতা পুরসভা, দমকল বিভাগ, সিইএসসি, পুলিশ প্রশাসন, পরিবহণ ও স্বাস্থ্য দফতরের মতো পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা।আরও পড়ুন:
২০১৮ থেকে প্রাপ্ত অনুদানের এক ঝলক
আরও পড়ুন:
২০১৮ সাল থেকে রাজ্যের পুজো কমিটিগুলোকে আর্থিক অনুদান দেওয়া শুরু করে রাজ্য সরকার।
প্রথম বছর ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তখনই পুজো বাবদে বিদ্যুতের বিলে ২৫ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
২০১৯ সালে সেটাকে একধাক্কায় বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়। তারপর থেকে প্রতিবছরই বাড়ানো হয় অনুদানের পরিমাণ।
তারপর করোনার সময়ে এক লাফে ৫০ হাজার টাকা করা হয়।আরও পড়ুন:
২০২২ সালে তা বেড়ে ৬০ হাজার
আরও পড়ুন:
২০২৩ সালে ৭০ হাজার টাকা করা হয়
আরও পড়ুন:
২০২৪ সালে আরও ১৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়। অর্থাৎ ৮৫ হাজার টাকা করার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছরেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, আগামী বছর থেকে পুজো কমিটিগুলোকে এক লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
এ বার হল ১ লাখ ১০ হাজার! মাঝখানের সময়ে অনুদানপ্রাপ্ত পুজো কমিটির সংখ্যাও বেড়েছে।
আরও পড়ুন: