পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : কর্ণাটকের পর 'দ্য কাশ্মীর ফাইলসকে' করমুক্ত করছে গোয়াও। এমনই জানালেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। মঙ্গলবার ছবিটির প্রদর্শনী নিয়ে তোলপাড় ছিল কর্ণাটক বিধানসভা। এই ছবিতে তথ্যে অসঙ্গতি আছে বিস্তর। সিনেমার প্রেক্ষাপট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।গেরুয়াশিবিরের বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে এই ছবিটি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে তা বলাই বাহুল্য। এদিন ছবিটির স্ক্রিনিং সম্পর্কে কর্ণাটক বিধানসভার চেয়ারপার্সন বাসভরাজ হোরাত্তির ঘোষণার ফলে ক্ষমতাসীন বিজেপি এবং বিরোধী নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্ক শুরু হয়ে যায়।
।এমন বিকৃত তথ্য সম্বলিত সিনেমাটি আসলে জনমনে ভুলবার্তা দেবে। সে কারণেই ছবিটির প্রদর্শনীর বিরুদ্ধে বিধানসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস।আরও পড়ুন:
যদিও ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতারা বলেছেন, এই সিনেমা যে সকলকে দেখতে হবে এমনটা তো বলা হচ্ছে না। যদি কেউ চায় সে দেখবে। কারো ওপর তো জোরজবরদস্তি নেই। তবে অর্ধসত্য তথ্য সম্বলিত এই ছবিটি দেখানোর ব্যাপারে বিজেপি এমনকি প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেও বেজায় উৎসাহী তা প্রমাণ হয়েছে।
বিধাসভায় বিরোধী নেতা বি কে হরিপ্রসাদ বলেছেন, "স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হবে এবং হাউসে এই ধরনের ঘোষণা করা উচিত নয়। মনে হচ্ছে সরকার জনগণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা না করে কেবল সিনেমা প্রদর্শন করতে এসেছে।”আরও পড়ুন:
বিবেকরঞ্জন অগ্নিহোত্রী পরিচালিত এই ছবির গল্প নিয়ে বিরোধী দল সরব। তখন সিনেমার গল্প এবং পরিচালককে সাধুবাদ জানিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।বললেন, উপত্যকায় যে ভাবে কাশ্মীরের ভিটেমাটি ছাড়া হতে হয় তা অনেকেরই অজানা। কাশ্মীরের আসল সত্যিটা জানা দরকার দেশবাসীর।পছন্দ না হলে অন্য সিনেমা দেখুন।
অন্য ছবি পরিচালনা করুন। কিন্তু, দেশের আসল সত্যিটাকে চেপে রাখার জন্য বিরোধিতা করবেন না। প্রকাশ্যে আসুক দেশের সত্য ঘটনা। এই রকম আরও সিনেমা তৈরি করা দরকার।আরও পড়ুন:
নরেন্দ্র মোদি যাকে সত্য বলে দাবি করেছেন, তার ভিত্তি নিয়েই মূল প্রশ্ন।যদি তা সত্য হাত তবে বিজেপি তাকে মেন্ করে পরিবেশন করত না। সেখানে তাহলে কাশ্মীরি মুসলিমদের কথাও উঠে আসত। যা একেবারেই আসেনি। এমনটাই অভিযোগ বহুজনের।
আরও পড়ুন: