পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং টানা বিক্ষোভের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঠিক ১৫ দিন পর অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার ভুবনেশ্বরের জিএম ইউনিভার্সিটির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, নিট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ‘জেন জি’-কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। একই সঙ্গে ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ককেও কড়া ভাষায় নিশানা করেন তিনি। উল্লেখ্য, গত ২৫ জুলাই জন্তর মন্তরে 'কাকরোজ জনতা পার্টি' (CJP)-র নেতৃত্বাধীন টানা আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ইস্তফার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম কোনো প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য।


 
ভুবনেশ্বরের অনুষ্ঠানে সংবামাধ্যম পিটিআই-কে প্রধান বলেন, "জেন জি বা তরুণ প্রজন্ম আমাদের সন্তানের মতো। কিছু মানুষ তাদের ভুল বোঝানোর ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। আমার কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা সমস্যা ছিল না। ভারতে প্রতি বছর অন্তত ২ কোটি শিশুর জন্ম হয়। গত ১০ বছরে ২০ কোটি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে।
তাদের সবার মনে নিজস্ব আশা-আকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং তারাই ভারতকে ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে গড়ে তুলবে। তাই এই পদটি আমার কাছে কখনোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।"
 
জিএম ইউনিভার্সিটির কর্মসূচির পাশাপাশি অন্য একটি পৃথক অনুষ্ঠানে ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি সুপ্রিমো নবীন পট্টনায়কের তীব্র সমালোচনা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সম্প্রতি বিমানবন্দর এলাকায় বিজেডি-র যুব ও ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লক্ষ্য করে "ধর্মেন্দ্র প্রধান গো ব্যাক" স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখান। সেই প্রসঙ্গের টেনে ধর্মেন্দ্র বলেন, "আমি একজন কৃষকের ছেলে। আপনারা আমাকে ফিরে যেতে বললেও আমি বারবার ফিরে আসব। নবীন বাবু আমাকে ওড়িশার মানুষের জন্য ‘লজ্জা’ এবং একজন ‘বাজে মানুষ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।"