পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: এই প্রথম ভারতে তৈরি হবে ড্যাসল্টের ফ্যালকন জেট। শিল্পপতি, বড় ব্যবসায়ী, কোম্পানির মালিক ও ভিআইপিদের প্রথম পছন্দ 'ফ্যালকন ২০০০' বিমান। সেই বিমান তৈরির কারখানা খুলতে চলেছে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিজনেস এক্সিকিউটিভ বিমান তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বুধবার প্যারিস এয়ার শো-তে দাসো অ্যাভিয়েশন এবং রিলায়েন্স এরোস্ট্রাকচার লিমিটেড ঘোষণা করেছে, আমেরিকা, ফ্রান্স, কানাডা এবং ব্রাজিলের এক্সিকিউটিভ জেট তৈরির জন্য বিগ বয়েজ ক্লাবে ভারত প্রবেশ করেছে। সূত্রের খবর, 'মেড ইন ইন্ডিয়া' 'ফ্যালকন ২০০০' এর প্রথম ফ্লাইটটি ২০২৮ সালের দিকে তৈরি সম্পূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
তিন বছর ধরে অ্যাসেম্বলি অপারেশন এবং আপগ্রেড সম্পন্ন হবে বিমানটির। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই প্রথম ফ্রান্সের বাইরে তৈরি হবে ড্যাসল্টের ফ্যালকন জেট। প্রসঙ্গত, বেসরকারী সংস্থা ছাড়াও বুলগেরিয়া, স্লোভেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানি কোস্ট গার্ড এবং রয়েল থাই পুলিশ বিমান বাহিনী ফ্যালকনের জেট ব্যবহার করে।
আরও পড়ুন:
২০১৭ সাল থেকে ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশন এবং রিলায়েন্স এরোস্ট্রাকচার-ডিআরএএল-এর যৌথ উদ্যোগে নাগপুরের মিহানে একটি অত্যাধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র চালু রয়েছে।
২০১৯ সালে নাগপুরে ফ্যালকন প্রথম ফ্রন্ট বিভাগ তৈরি হওয়ার পর থেকে ১০০ টিরও বেশি প্রধান উপ-বিভাগ একত্রিত করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
ফ্যালকনের সিক্সএক্স এবং ৮এক্স অ্যাসেম্বলি প্রোগ্রামসহ ফ্যালকন সিরিজের উৎকর্ষ কেন্দ্রে রূপান্তরিত হবে ড্যাসল্ট এভিয়েশন। এই চুক্তির পর ফ্রান্সের বাইরে ফ্যালকন অ্যাসেম্বলির প্রথম সেন্টার অব এক্সিলেন্স হবে ডিআরএএল।
আরও পড়ুন:
ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান ও সিইও এরিক ট্র্যাপিয়ার বলেন, "এটি আমাদের 'মেক ইন ইন্ডিয়া' প্রতিশ্রুতি পূরণের এবং বিশ্বব্যাপী মহাকাশ সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারতকে একটি প্রধান অংশীদার হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দৃঢ় ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে।"
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে রিলায়েন্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি বলেন, "'মেড ইন ইন্ডিয়া' ফ্যালকন ২০০০ দেশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং উৎপাদন উৎকর্ষের গর্বিত প্রতীক হিসাবে দাঁড়িয়ে থাকবে।"