পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আসামের গুয়াহাটিতে একটি হোমস্টে অষ্টম শ্রেণির এক নাবালিকা ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। কামরূপ জেলার পাসারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই নাবালিকাকে নির্যাতন করার পর রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় পাঁচ অভিযুক্তকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের নাম পরমেশ্বর নাথ, হিরকজ্যোতি দাস, বিশাল বরুয়া, লক্ষীধর নাথ এবং রেজিপ আলী। এদের মধ্যে পরমেশ্বর নাথের বাড়ি গোয়ালপাড়ায় এবং বিশাল বরুয়া ও লক্ষীধর নাথ সৌকুচির ‘রংমন গ্র্যান্ড হোমস্টে’-তে কর্মরত ছিলেন। সূত্রের খবর, গত রবিবার (২৩ আগস্ট) সিংগিমারি এলাকা থেকে পরমেশ্বর নাথ নামের ওই যুবক নাবালিকা ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে গুয়াহাটির সৌকুচিতে অবস্থিত 'রংমন গ্র্যান্ড হোমস্টে'-তে নিয়ে যায়। অভিযোগ, রবিবার সারারাত হোমস্টে-তে পরমেশ্বর ও তার চার সহযোগী মিলে ওই নাবালিকার ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। পরদিন সকালে তাকে পানবাজারের শুক্লেশ্বর ঘাটের কাছে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
আসাম পুলিশ জানিয়েছে, ২৩ আগস্ট হাঝো থানার অন্তর্গত দাদরা আউটপোস্টে নাবালিকার পরিবার একটি নিখোঁজের এফআইআর দায়ের করে। ২৪ আগস্ট ভোর ৫:৪৭ মিনিট নাগাদ গোপন সূত্রে খবর আসে যে, পানবাজার পানির ট্যাঙ্কির কাছে নিখোঁজ মেয়েটিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। দাদরা আউটপোস্টের আইসি এবং পরিজনেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। মেয়েটির জবানবন্দি ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে মামলায় পকসো আইনের ৬ ও ১৭ নম্বর ধারা যুক্ত করা হয়েছে।