১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাজের চাপে ফের মৃত্যু বিএলও-র! মালদহে স্কুল শিক্ষকের প্রয়াণে কাঠগড়ায় কমিশন

পুবের কলম, মালদা: রাজ্যে ফের বিএলও (BLO) পদে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হলো এক ব্যক্তির। এবার ঘটনাস্থল মালদা জেলা। অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং মানসিক ধকল সহ্য করতে না পেরে এক সহকারী শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা। মৃত ব্যক্তির নাম মহম্মদ আনিকুল আলাম (৫৪)।

মৃত আনিকুল আলাম কালিয়াচক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সুজাপুর অঞ্চলের ১৪৪ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, গত কয়েকদিন ধরেই ভোটার তালিকার সংশোধনী ও বিবিধ প্রশাসনিক কাজের প্রবল চাপ ছিল তাঁর ওপর। বৃহস্পতিবার কাজ চলাকালীনই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। ওই শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের দাবি, এই মৃত্যুর পেছনে সরাসরি দায়ী নির্বাচন কমিশনের ‘চাপ’।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন অভিযান: বিএলও-দের বার্ষিক ভাতা দ্বিগুণ

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে একজন কর্মরত শিক্ষকের এমন অকাল মৃত্যুতে এসআইআর সংক্রান্ত কাজের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের নামের আগে ‘স্বামী’ শব্দ ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর, ‘বাংলাকে অপমান’ গর্জে উঠলেন মমতা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কাজের চাপে ফের মৃত্যু বিএলও-র! মালদহে স্কুল শিক্ষকের প্রয়াণে কাঠগড়ায় কমিশন

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম, মালদা: রাজ্যে ফের বিএলও (BLO) পদে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হলো এক ব্যক্তির। এবার ঘটনাস্থল মালদা জেলা। অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং মানসিক ধকল সহ্য করতে না পেরে এক সহকারী শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা। মৃত ব্যক্তির নাম মহম্মদ আনিকুল আলাম (৫৪)।

মৃত আনিকুল আলাম কালিয়াচক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সুজাপুর অঞ্চলের ১৪৪ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, গত কয়েকদিন ধরেই ভোটার তালিকার সংশোধনী ও বিবিধ প্রশাসনিক কাজের প্রবল চাপ ছিল তাঁর ওপর। বৃহস্পতিবার কাজ চলাকালীনই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। ওই শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের দাবি, এই মৃত্যুর পেছনে সরাসরি দায়ী নির্বাচন কমিশনের ‘চাপ’।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন অভিযান: বিএলও-দের বার্ষিক ভাতা দ্বিগুণ

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে একজন কর্মরত শিক্ষকের এমন অকাল মৃত্যুতে এসআইআর সংক্রান্ত কাজের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।