পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ১২ দিন ধরে চলা ইরান-ইসরাইলের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অবশেষে ইতি পড়েছে। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় অনুযায়ী সকাল থেকে সংঘর্ষ বিরতিতে সমর্থন জানিয়েছে ইসরাইল এবং ইরান। ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা কার্যকর হওয়ার পর তেহরানে দেখা গিয়েছে বিজয় উৎসব। মঙ্গলবার রাতে রাস্তায় রাস্তায় গাড়ি ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, পতাকা মিছিল, উচ্চস্বরে সংগীত আর স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের বিভিন্ন অংশ।
আরও পড়ুন:
সমর্থকদের জাতীয় পতাকা হাতে গাড়ির জানালা থেকে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। সরকারের সমর্থনে গান বাজাচ্ছেন সমর্থকরা। ইরানের সরকারি সংবাদ মাধ্যমে এই ছবি প্রদর্শিত হতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন:
উল্লাসের পাশাপাশি তেহরানের অন্য প্রান্তে কিছু নাগরিকের মধ্যে দেখা গিয়েছে উদ্বেগ।
একজন বাসিন্দা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, আমি মনে করি এই যুদ্ধবিরতি শুধুই আয়াতুল্লাহ খামেনিকে বিভ্রান্ত করার জন্য। এটা একটা ফাঁদ। ইসরাইল ও আমেরিকা কখনও কোনও উদ্দেশ্য ছাড়া কোনও পদক্ষেপ নেয় না। তাঁর মতে, মূল লক্ষ্য হতে পারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে তাঁর গোপন আশ্রয়স্থল থেকে বের করে আনা। তবে এসব সন্দেহ-আশঙ্কার মধ্যেও ইরান যুদ্ধবিরতিকে একটি “ঐতিহাসিক বিজয়” হিসেবেই দেখছে।আরও পড়ুন:
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ রেজা আরেফ বলেছেন,“এই বিজয় প্রমাণ করেছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের শিং ভেঙে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষমতা নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও ইসলামি রিভ্যুলেশন গার্ডের প্রাক্তন প্রধান মুহাম্মদ বাঘের গালিবাফের শীর্ষ উপদেষ্টা মেহদি মুহাম্মাদি একে উল্লেখ করেছেন “বৃহৎ ও ইতিহাস গড়া বিজয়” হিসাবে।
আরও পড়ুন:
তিনি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে লিখেছেন,“একটি নতুন যুগ শুরু হয়েছে।” এছাড়া, ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার মুখপাত্র বেহরুজ কামালভান্দি ইরানের সরকারি সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কেউ থামাতে পারবে না। আমাদের সক্ষমতা ও প্রতিরোধের ভিত্তিতে এ কর্মসূচি দৃঢ়ভাবেই অটল থাকবে।”