পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ মায়ের অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি আহমেদাবাদে এলেন উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দেখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এব্যাপারে বিস্তারিতভাবে হাসপাতালের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
গুজরাত প্রশাসন সূত্রে খবর, বুধবার বিমানবন্দরে নেমেই আহমেদাবাদের ইউএন মেহতা ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে পৌঁছন মোদি। সেখানেই ভর্তি আছেন মা হীরাবেন মোদি।
আরও পড়ুন:
ফাইল চিত্রমঙ্গলবার মধ্যরাতে হঠাৎই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এই জুন মাসে একশো বছরে পা রেখেছেন হীরাবেন মোদি।
আরও পড়ুন:
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন প্রধানমন্ত্রীর মা। মঙ্গলবার মাঝ-রাতে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।
যদিও শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। তবে আলাদা করে হাসপাতালের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, মা ও ছেলের সম্পর্কের কথা কারুর অজানা নয়। গত জুন মাসে মায়ের ৯৯ তম জন্মদিনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সমস্ত ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সময় মায়ের পা' ধোয়া জল পান করা সহ তার সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাবার ভাগ করে খেয়েছিলেন মোদি।
আরও পড়ুন:
ফাইল চিত্রমা হীরাবেন যে তাঁর জীবনে অনেক বড় জায়গা জুড়ে আছেন সেকথা বার বার স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মায়ের সঙ্গে প্রায়ই দেখা করতে গুজরাত যান প্রধানমন্ত্রী।
সে সময় মাকে নিয়ে ‘মাদার’ নামে একটি ব্লগও লিখেছিলেন তিনি। কিছু দিন আগে গুজরাত নির্বাচনের প্রচারে গিয়েও মায়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মোদি।আরও পড়ুন:
ফাইল চিত্রপ্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ভাই প্রহ্লাদ মোদির গাড়ি। কর্নাটকের মাইসোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়িটি একদম দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়িতে প্রহ্লাদ মোদি ছাড়াও ছিলেন তাঁর স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ এবং নাতি। স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁদের। সব মিলিয়ে গাড়িতে ছিলেন মোট পাঁচজন। আহত হন প্রহ্লাদ মোদি তাঁর ছেলে মেহুল মোদি, পুত্রবধূ এবং নাতি মিনাথ মেহুল মোদি এবং তাঁদের গাড়ির চালক।
তবে সকলেই বিপদমুক্ত বলে জানা যায়। ঘটনার ঠিক একদিন পরেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন মোদি।আরও পড়ুন:
